1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২১ অপরাহ্ন
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:২১ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ঠাকুরগাঁয়ে আখ চাষে আবার আগ্রহ কৃষকরা বিরামপুরে জাতীয় বস্ত্র দিবস পালিত শাহজাদপুরে ভ্যান চালকের লাশ উদ্ধার ঠাকুরগাঁওয়ে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ বিষয়ক আলোচনা সভা বিএমএসএফ’র জাফরকে মোবাইল ফোনে হুমকি: এ্যাবজার প্রতিবাদ কমিউনিস্ট চীন হংকংয়ের স্কুল শিশুদের মগজ ধোলাই করার জন্য প্রচারের নতুন অস্ত্র হিসাবে পাঠ্যপুস্তক ব্যবহার করছে ভোরের কাগজের দেশসেরা সাংবাদিক নোয়াখালীর সোহেল প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আলীকদম এবং নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড়ি সীমান্তে দিয়ে এসে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে শত শত অবৈধ গরু মহিষ ইবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল ও ভলিবল প্রতিযোগিতা শুরু লালমনিরহাটে ইউনাইটেড গোল্ডেন সিটিজেনস ফাউন্ডেশন ক্রিকেট দলের অনুশীলন ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠান

৮ বছরেও চালু হয়নি বাহুবলের স্বপ্নের ট্রমা সেন্টার

প্রশাসন
  • সময় : শুক্রবার, ২৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৫ বার পঠিত

নিছপা আক্তার :: হবিগঞ্জের বাহুবলে ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা ব্যয়ে 

সিলেটের একমাত্র ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করা হলেও ৮ বছরেও চালু হয়নি। এতে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে মূল্যবান জিনিষপত্র ও দরজা-জানালার গ্লাস ভেঙে গেছে। যদিও বৃহত্তর স্বার্থে সেন্টারটি নির্মাণ করা হয়েছিল তাতে কাজেরকাজ কিছুই হচ্ছেনা।

জানা যায়, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুর্ঘটনায় আহতদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ২০১০ সালে ফিজিক্যাল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্টের আওতায় ট্রমা সেন্টার নির্মাণ করা হয়। ১০ শয্যার ট্রমা সেন্টারের নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০১৩ সালে। এতে ব্যয় হয় ৩ কোটি ১৮ লাখ টাকা। ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাসে ভবনটি গ্রহণের জন্য স্বাস্থ্য বিভাগকে চিঠি দেয় গণপূর্ত বিভাগ। কিন্তু গ্যাস-বিদ্যুৎ ও পানির সংযোগ না থাকায় সেটি গ্রহণ করতে রাজি হয়নি স্বাস্থ্য বিভাগ।

দু’বিভাগের চিঠি টেবিলেই চালাচালিতেই অতিবাহিত হলো ৮ বছর। গেছে আট বছর। প্রকল্পের অগ্রগতি রিপোর্টে পল্লীবিদ্যুতের ডিমান্ড নোটের টাকা জমা দেওয়া হয়েছে দাবী করা হয়েছে এবং বিদ্যুৎ সংযোগের জন্য ২৬ মে ২০১৪ ও ২৯ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে দুইবার তাগিদপত্র দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ২০১৩ সালের ২৩ জুন গ্যাস সংযোগের জন্য ডিমান্ড নোটের জন্য তৎকালীন নির্বাহী প্রকৌশলী জালালাবাদ গ্যাস কোম্পানিকে চিঠি দেওয়া হলেও ইতিমধ্যে গ্যাস সংযোগ বন্ধ পাওয়া যায়নি। ফলে  ট্রমা সেন্টারে গ্যাস সংযোগ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। সড়কে প্রায়ই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটে। এসব দুর্ঘটনায় আহত বা হাত-পা ভেঙে প্রতিনিয়ত সিলেট অথবা ঢাকায় যেতে হয় রোগীদের। কিন্তু অনেকেই টাকা-পয়সার সমস্যার কারণে যেতে পারে না। ফলে পায় না উন্নত চিকিৎসা। এখন যদি বাহুবলে ট্রমা সেন্টারটি চালু হলে সহজে উন্নত চিকিৎসার সম্ভ্যাবনা ছিল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Shakil IT Park