1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে আলীকদম এবং নাইক্ষ্যংছড়ি পাহাড়ি সীমান্তে দিয়ে এসে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যাচ্ছে শত শত অবৈধ গরু মহিষ ইবিতে আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় হ্যান্ডবল ও ভলিবল প্রতিযোগিতা শুরু লালমনিরহাটে ইউনাইটেড গোল্ডেন সিটিজেনস ফাউন্ডেশন ক্রিকেট দলের অনুশীলন ক্যাম্পের সমাপনী অনুষ্ঠান নেত্রকোনার কলমাকান্দায় রোটা ভাইরাসের সংক্রমণ সভাপতি ইকবাল হোসেন জুয়েল সাধারণ সম্পাদক আবু কাউসার চৌধুরী রন্টি তুরাগতীরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জোড় ইজতেমার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম দিনাজপুরে আদিবাসী ও দলিত সম্প্রদায়ের জীবন মান উন্নয়নে গণশুনানি অনুষ্ঠিত ময়মনসিংহ জেলা ও মহানগর আওয়ামীলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক হলেন যারা জমি নিয়ে বিরোধঃ বড় ভাইয়ের জমির ৬ শতাধিক গাছ উপড়ে ফেললো ছোট ভাই! মোটরসাইকেলের ধাক্কায় শ্রমিক নিহত

কেরু এন্ড কোং লিঃ বাংলাদেশ দর্শনা।

প্রশাসন
  • সময় : শনিবার, ৫ নভেম্বর, ২০২২
  • ৫০ বার পঠিত

মোঃ আমিনুল ইসলাম দামুড়হুদা উপজেলা জেলা প্রতিনিধি।

১৯৩৮ সালে এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ব্যক্তিগত উদ্যোক্তাদের অধীনে স্থাপিত হয়। সে সময় এর অধীনে একটি চিনি কারখানা, একটি ডিষ্টিলারী ইউনিট ও একটি ওষুধ কারখানা যাত্রা শুরু করে। স্বাধীনতা লাভের পর, ১৯৭২ সালে বাংলাদেশ সরকার এই প্রতিষ্ঠানটিকে রাষ্ট্রায়াত্ত্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঘোষণা করে। এই বৃহদায়তন শিল্প-কমপ্লেক্সটি চিনি কারখানা, ডিষ্টিলারি ওয়াটার, বাণিজ্যিক খামার ও জৈব সারকারখানার সমন্বয়ে গঠিত। এর জমির পরিমান ৩ হাজার ৫৭২ একর। যার ২ হাজার ৪৫০ একর কৃষিজমি।

এসব কৃষিজমিতে আখ চাষ করা হয়। উৎপাদন ক্ষমতা পতিষ্ঠার সময় কেরু এ্যান্ড কোং বাংলাদেশ লিঃ এর দৈনিক আখ মাড়াই ক্ষমতা ছিলো ১০১৬ মেট্রিক টন। জাতীয়করণের পরে ১৯৭৮-৮৫ সাল এই সময়ে অস্ট্রেলীয় কারিগরি সহযোগিতায় এর দৈনিক আখ মাড়ায় ক্ষমতা বেড়ে দাঁড়ায় ১১৫০ মেট্রিক টন এবং চিনি উৎপাদন ক্ষমতা প্রতি অর্থবছরে ১১৫০ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়। উৎপাদিত পণ্য এখানকার মূল পণ্য হচ্ছে আখ থেকে উৎপাদিত চিনি। তবে আখ থেকে চিনি বের করে নেওয়ার পর যে উপজাত-দ্রব্য চিটাগুড়, ব্যাগাস ও প্রেসমাড পাওয়া যায় তা থেকেও বিভিন্ন পণ্য উৎপাদিত হয়। উপজাত-দ্রব্য হতে উৎপাদিত পণ্যের মধ্যে উলেখযোগ্য হচ্ছে দেশি মদ, বিদেশি মদ, ভিনেগার, স্পিরিট ও জৈব সার। এখানে নয়টি ব্র্যান্ডের ‘ফরেন লিকার বা বিদেশি মদ তৈরি হয়। ফরেন লিকারগুলো হচ্ছে ইয়েলো লেভেল মল্টেড হুইস্কি গোল্ড রিবন জিন ফাইন ব্র্যান্ডি চেরি ব্র্যান্ডি ইমপেরিয়াল হুইস্কি অরেঞ্জ ক্রেকাউট জরিনা ভদকা রোজা রাম ওল্ড রাম।

এই ফরেন লিকার ঢাকা, চট্টগ্রাম ও দর্শনায় কেরুর নিজস্ব নিজস্ব বিক্রয় কেন্দ্র হতে ১৮০, ৩৭৫ ও ৭৫০ মিঃলিঃ লিটারের বোতলে বাজারজাত করা হয়। বছরে প্রায় ৩৯ লাখ ২০ হাজার বোতল ফরেন লিকার উৎপাদিত হয় এখানে। আর বাংলা মদের বার্ষিক উৎপাদন প্রায় ২৬ লাখ লিটার। যা দেশের ১৩টি বিক্রয় কেন্দ্র হতে বাজারজাত করা হয়।এখানে উৎপাদিত স্পিরিটগুলো হচ্ছেঃ কান্ট্রি স্পিরিট রেক্টিফায়েড স্পিরিট‌ ডিনেচার্ড স্পিরিট দুই ধরনের ভিনেগার উৎপাদিত হয়।

মল্টেড ভিনেগার সাদা ভিনেগার এছাড়া ২০১৪ সাল থেকে নিজস্ব কৃষি খামারে “কেরুজ জৈব সার” নামে পরীক্ষামূলক জৈব সারের উৎপাদন শুরু হয়েছে। যার উৎপাদন ক্ষমতা ৭ হাজার মেট্রিক টন। প্রতি কেজি সার ১০ টাকা দরে এই সার বিক্রয় করা হবে।কিভাবে যাওয়া যায়:১. চুয়াডাঙ্গা শহর হতে বাস/সিএনজি যোগে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাওয়া যায়।২. চুয়াডাঙ্গা স্টেশন হতে ট্রেনযোগে দর্শনা স্টেশন তারপর হেটে/ভ্যানে করে দর্শনা বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত যাওয়া যায়বাসস্ট্যান্ড হতে অটো/ভ্যান/পাখি ভ্যানে করে দর্শনা কেরু এন্ড কোং এ যাওয়া যায়। যা রাস্তার ডান পাশে পড়ে।ভাড়াঃ চুয়াডাঙ্গা-দর্শনা ১. বাস/সিএনজি যোগে-২০/২৫ টাকা। দর্শনা বাসস্ট্যান্ড হতে অটো/ভ্যান/পাখি ভ্যানে ৫/- টাকা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Shakil IT Park