1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০২:৪৭ অপরাহ্ন
রবিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২২, ০২:৪৭ অপরাহ্ন

দর্শনা থানার ওসি এ এইচ এম লুৎফুল কবীর ও তদন্ত আমান উল্লাহ আমান এর সাফল্য

প্রশাসন
  • সময় : শুক্রবার, ৪ নভেম্বর, ২০২২
  • ৬৬ বার পঠিত

মোঃ তহিরুল ইসলাম স্টাফ রিপোর্টার।

দর্শনা থানার একজন সু-চতুর ও পরিশ্রমি পুলিশ অফিসার। গত ২০২১ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর তিনি দর্শন থানায় অফিসার ইনচার্জ ওসি হিসেবে যোগদান করেন। এর পূর্বে তিনি চুয়াডাঙ্গা সদরে ডিবি পুলিশের ওসি হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন এ এইচ এম লুৎফুল কবীর সাহেব।

দর্শনা থানায় যোগদানের পর তিনি ঘোষণা দেন এ শহরকে যে কোনো কিছুর মূল্যে মাদক মুক্ত করাতে হবে। বাঁচাতে হবে বর্তমান যুব সমাজকে। চিন্তামুক্ত করতে হবে অভিভাবকদের। তিনি যোগদানের পর থেকেই প্রথমত শুরু করেন মাদকের বিরুদ্ধে অভিযান। চিহ্নিত মাদকের আখড়াগুলোতে চালান পুলিশি হানা। গ্রেফতারকৃতদের মামলার পাশাপাশি নেন ভ্রাম্যমান আদালত জেল জরিমানাও হয় গ্রেফতারকৃতদের।

তার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় ও নিরলস পরিশ্রমের কারণে আজ দর্শনা সীমান্ত শহর থেকে উঠে গেছে অনেক মাদকের আখড়া। কমিয়ে এসেছে মাদক সেবীর সংখ্যা। অনেকে মাদক ব্যবসা ছেড়ে দিয়ে চলে গেছেন অন্য পেশায়। স্বাভাবিক জীবনে ফিরে এসেছে অনেক মাদক সেবনকারী। মাদকে ভরে যাওয়া দর্শনা সীমান্ত থানা শহরে বর্তমানে মাদক শুন্য হয়ে পড়েছে। ওসি এ এইচ এম লুৎফুল কবীর আরও কিছুদিন এখানে অবস্থান করলে মাদক নির্মূল সম্ভব হবে বলে মনে করেন সচেতন মহল। শহরে অনেকটা মাদক মুক্ত হওয়ার ব্যাপারে মোবাইল ফোনে কথা হয় ওসি এ এইচ এম লুৎফুল কবীরের সাথে।

এ ব্যাপারে তিনি জানান, মাদক একটি মরণ ব্যাধি। এ নেশায় আসক্ত হয়ে অনেকের সুন্দর জীবন নষ্ট হয়ে গেছে। অনেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে তার পরিবার থেকে। অনেক অভিভাবক মাদকাসক্ত সন্তানদের নিয়ে পড়েছিলো চরম বিপাকে। তারা আজ অনেকটা স্বস্তিতে আছে। মাদক বর্তমান যুব সমাজকে ধ্বংস করছে। তাই এ মাদক ব্যবসা বন্ধে এবং সেবন কারির সংখ্যা কমাতে এ থানায় যোগদানের পর তিনি শপথ নেন।

তার চেষ্টা ও উদ্দেশ্য আজ অনেকটা সফলতা লাভ করেছে। উল্লেখ্য ওসির পাশাপাশি দর্শনা থানার নবাগত ইন্সপেক্টর তদন্ত পুলিশ অফিসার মোঃ আমান উল্লাহ আমান ও একজন সৎ পুলিশ অফিসার। তিনিও মাদকের বিষয়ে মাথা নোয়াবার নন। মাদক মামলায় গ্রেফতারকৃতদের ব্যাপারে কোনভাবেই তিনি ছাড় দেননি। মাথায় নেননি কারো সুপারিশ। সম্প্রতি প্রশ্ন উঠেছে থানায় ক্যাশিয়ার এবং মদের ভাটি সম্পর্কে। এ ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ জানায় ক্যাশিয়ার নামে থানায় কোন পদ নেই। অতএব ক্যাশিয়ার নাম করে অর্থ আদায়ের কোন প্রশ্নই ওঠেনা। আর মদের ভাটিটি সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত। কারণ এখানে দেশের বৃহত্তর কেরূ এন্ড কোম্পানীর ডিসটিলারীর মদের কারখানা আছে।

কারখানায় চাকুরির সুবাদে এখানে রয়েছে কয়েক শতাধিক হরিজন সম্প্রদায় পরিবার। মূলত তাদের জন্যই সরকারিভাবে ওই মদ ভাটিটি প্রতিষ্ঠিত হয়। কেউ যদি ওই ভাটির বিষয় নিয়ে থানা পুলিশকে জড়ানোর চেষ্টা করে সেটা অন্যায়। কারণ সরকারি লাইসেন্স প্রাপ্ত একটি ভাটি আমরা উচ্ছেদ করতে পারি না। তবে এখানে নিয়ম যদি অনিয়ম হয়ে থাকে আর এ ব্যাপারে আমাদের কাছে যদি প্রমাণযোগ্য অভিযোগ আসে সে বিষয়ে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Shakil IT Park