1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৪ অপরাহ্ন
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পদ্মা আবাসিকের আমজাদকে মহাসড়কে সন্ত্রাসীদের দায়ের কোপে আহত নোয়াখালীর সেনবাগে যুবকের আত্মহত্যা ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীর শাকিল হত্যা মামলার আসামি এক মাস ধরে পলাতক, ইউপি চেয়ারম্যানকে খুঁজছে পুলিশ ! গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন কামরুল আহাসান সরকার রাসেল ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে বৈদ্যুতিক স্পর্শে প্রাণ গেল যুবকের! ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে বিএসএফ’র গুলিতে বাংলাদেশী যুবক আহত । ঠাকুরগাঁও থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রী গাজীপুর থেকে উদ্ধার —আসামীরা পলাতক ! বিয়েপাগল ভেন্ডারী আটক ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের পর যৌতুকের টাকা গ্রহন করে তালাক দেওয়ার যার নেশা ! নিহত সেনা সদস্য শরীফুলের বেলকুচি বাড়িতে চলছে শোকের মাতম ঃনিখোঁজ বিজ্ঞপ্তিঃ

অপসাংবাদিক ও মাদক ব্যাবসায়ীর সাজানো ঘটনার মামলায় সোহাগ মেম্বারের মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

প্রশাসন
  • সময় : শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২
  • ১৫৩ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ শুক্রবার (১২ আগষ্ট) জুম্মাবাদ সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ এলাকায় ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের পাশে এ বিক্ষোভ ও মানববন্ধন করেন নারী পুরুষ যুবক এবং এলাকাবাসী। বিভিন্ন শ্রেনী পেশার হাজারো নারী পুরুষরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে নবীনগর জাতীয় স্মৃতি সৌধের সামনে জড়ো হতে থাকে পড়ে বিকাল তিনটায় মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, জনপ্রিয় জনপ্রতিনিধি আশুলিয়ার ইয়ারপুর ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড মেম্বার ও সারাদেশের ইউপি মেম্বারদের নিয়ে গঠিত সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা হাজী হালিম মৃধা।

মানববন্ধনে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহন করে।
মানববন্ধনে উপস্থিত হয়ে তারা বলেন, সোহাগ মেম্বারের নামে দায়ের করা মাদক ব্যাবসায়ীর পূর্ব পরিকল্পিত মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠানোর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। সেই সাথে সোহাগ মেম্বারের নিঃস্বর্থ মুক্তি দাবি করছি। সোহাগ আমাদের ওয়ার্ডের শুধু মেম্বার নয় সে আমাদের ভাই, সন্তান ও অভিভাবক এবং আমাদের আগামি দিনের আমাদেরকে মাদকমুক্ত সমাজ উপহার দিবে।

তারা আরও বলেন, সোহাগ মেম্বার মাদকের বিরুদ্ধে লড়াই করার কারনেই মূলত এলাকার চিহ্নিত মাদক কারবারীরা তার বিরুদ্ধে ভাংচুরের একটি পূর্ব পরিকল্পিতভাবে সাজানো মামলা দিয়ে জেল হাজতে পাঠিয়েছে । আজ সেই মামলায় জেল খাটছে আমাদের সবার প্রিয় মেম্বার। আর সেই মাদক কারবারিদের পক্ষ নিয়ে বিভিন্নভাবে সাহায্য করছে এবং আমাদের মেম্বারের নামে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা তথ্য দিয়ে দু’একজন অপসাংবাদিক বিভিন্ন মিডিয়া এবং ফেইসবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছে । আমরা পাথালিয়ার মানুষ যখন এক হয়ে সোহাগ মেম্বারের নেতৃত্বে মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে লড়াই করছি। ঠিক তখনই সেই মাদক কারবারিদের সাহায্য করছে নামধারী এই অপ-সাংবাদিকরা।

মানববন্ধনে উপস্তিত হয়ে ইয়ারপুর ইউনিয়নের মেম্বার হাজী হালিম মৃধা বলেন, আমরা মেম্বাররা সব সময় চাই এলাকার মানুষ ভালো থাকুক, মাদক মুক্ত সমাজ গড়ার চেষ্টা করতে গিয়ে মাদক বেচাকেনা কারীর পক্ষে বিভিন্নভাবে কিছু অপ-সাংবাদিক আমাদের বিরুদ্ধে ফেসবুকে লেখালেখি করে। এরা সাংবাদিকতার ছত্র-ছায়ায় বিভিন্ন জায়গা থেকে চাঁদাবাজী সহ অনেক অপরাধ মূলক কাজ করে থাকে। বিশেষ করে মাদক ব্যাবসায়ীদের কাছে প্রতিমাসে মান্থলি করা তাদের এমন অনেক অপরাধের ডকুমেন্টস আমার কাছে আছে। অন্যান্যদের মধ্যে আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এসএ শামিম তার বক্তব্যে বলেন, আপনারা যারা সাংবাদিকতার পেশায় কাজ করেন আমি তাদের শ্রদ্ধা করি। আমার কথা হলো শফিউল আলম সোহাগ যদি কোন অপরাধ করে থাকেন, তাহলে আপনারা সত্য তথ্যের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে নিউজ করেন। এতে আমাদের কোন আক্ষেপ নাই, কিন্তু সাংবাদিকতার নামে একজন মানুষের নামে ফেসবুকে আবল তাবোল লেখার কারন কি? আমি এর তিব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি সেই সাথে মাদক ব্যাবসায়ীর সাজানো মামলায় গ্রেফতার আমার ভাই শফিউল আলম সোহাগের নিঃস্বর্থ মুক্তি চাই এবং অপ-সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের সঠিক তথ্য দিয়ে সংবাদ পরিবেশনের উদাত্ত আহ্বান জানাচ্ছি পেশাদার সাংবাদিক ভাই ও বোনদেরকে।

এসময় মানববন্ধনে বিভিন্ন ওয়ার্ডের মেম্বার, সাধারণ মানুষ, বীর মুক্তিযোদ্ধা ও রাজনৈতিক নেতারা সহ সর্বস্তরের কয়েক হাজার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

সাজানো মামলার সুত্রপাতঃ- পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ড ও এলাকাবাসীর জনপ্রিয় জনদরদী এবং সফল মেম্বার মাদক মুক্ত ওয়ার্ড গড়তে মাদকবিরোধী কর্মকান্ড পরিচালিত করায়। পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে নিজ ঘরের আসবাবপত্র ভাংচুর করে থানায় মামলা দায়ের করে আশুলিয়া থানা পুলিশের সহযোগিতায় থানায় ডেকে নিয়ে আটক করে জেল হাজতে প্রেরণ করার অভিযোগ উঠেছে পুরো এলাকায় চাঞ্চল্যের ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে জনমনে।

ঘটনার দিন ৯ই আগস্ট মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে নিরিবিলি কুরগাও এলাকার মাঝামাঝি স্হানে (বটতলা) কুরগাও এলাকার ফাহিম সহ তিনজন ছেলেমেয়ে অন্যান্য দিনেরমত বন্ধু সহ ঘুরতে আাসে। এমন সময় মুক্তধারার এলাকার বাসিন্দা মাদক ব্যাবসায়ী তুহিনের ছোট ভাই তৌহিদ ঘুরতে আসা মেয়েটিকে আপত্তিজনক কথাবার্তা (ইভটিজিং) করায় সঙ্গে থাকা দুইজন বাধা দিলে তৌহিদ সেখানে তার কয়েকজন বন্ধুকে সাথে নিয়ে একটু আড়ালে রেখে পুর্বপরিকল্পিতভাবে ক্রিকেট খেলার ব্যাট নিয়ে তৌহিদ একাই তেরে গিয়ে আঘাত করার চেস্টা করলে পাশে থাকা বাকী দুজনে বাধা দিলে আড়ালে থাকা তৌহিদের সাঙ্গপাঙ্গদের দৌড়ে আসা দেখে দু’ জন ছেলে মেয়ে পালিয়ে গেলেও ফাহিম’কে আটক করে ধরে নিয়ে গিয়ে তৌহিদ তার বাসায় আটকিয়ে রেখে তার পরিবারকে ফোন করলে উক্ত ওয়ার্ডের মেম্বার শফিউল ইসলাম সোহাগের লোক হওয়ায় সংবাদ পেয়ে ছেলেটিকে তৌহিদের বাসায় উদ্ধার করতে আসলে আগে থেকে তৌহিদের বড় ভাই তুহিন তার মা মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল আক্তার ও তার বোন তন্নী সহ বেশ কয়েকজন মিলে সোহাগ মেম্বারকে আটক করে এমন সময় সাথে থাকা সোহাগ মেম্বারের কর্মী সমর্থকরা সংবাদ পেয়ে মেম্বারকে উদ্ধারের চেষ্টা করলে তুহিন সরদারের মাদক কারবারী সন্ত্রাসী বাহিনী হামলা চালিয়ে তার নিজ ভাইয়ের তৌহিদের মোটরসাইকেল ও বকুল আক্তারের কক্ষের জানালা এবং আসবাবপত্র ভাংচুর করে ওইদিন রাতেই সোহাগ মেম্বারকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে আসামি করে ১৫জনের নামে আশুলিয়া থানায় অভিযোগ দায়ের করলে আশুলিয়া থানার সাব ইন্সপেক্টর শরীফুল ইসলাম থানায় ডাকলে সোহাগ মেম্বার সে ডাকে সাড়া দিতে থানায় উপস্থিত হলে তাকে আটক করে এবং পরেরদিন পর্যন্ত ৭জনকে বিভিন্ন যায়গায় অভিযান চালিয়ে আটক করে দুপুরে আটক ৮জনকে আদালতে পাঠালে সোহাগ মেম্বারের আইনজিবি জামিন আবেদন করলে আদালত আটক কৃত ৮জনের মধ্যে ৭জনকে জামিন মন্জুর করে সোহাগ মেম্বারের জামিন না মন্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করার আদেশ দেন।

সরেজমিনে গিয়ে অনুসন্ধানে জানা যায়, আশুলিয়ার পাথালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের নিরিবিলি মুক্তধারা আবাসিক এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী বকুল আক্তার এবং তার বড় ছেলে তুহিন সরদার, মেয়ে তন্নী পুরো পরিবারটি দীর্ঘ বছর ধরে মাদক ব্যাবসা করে আসছিলো। সোহাগ মেম্বার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই মাদকমুক্ত ওয়ার্ড করার প্রতিজ্ঞা নিয়ে ইতিপূর্বে মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল আক্তারের মাদক ব্যবসা বন্ধ করতে একাধিকবার বাধা দিয়েছেন, এমন তথ্য সোহাগ মেম্বারের ফেসবুক আইডির টাইমলাইনেও দেখাযায়, তারি প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় বকুল বেগমের বাড়িতে সোহাগ মেম্বারের লোক ফাহিম’কে আটকে রেখে মারধর করার সংবাদ পেয়ে মেম্বার তাকে উদ্ধারের জন্য বকুল আক্তরের বাসায় গেলে মাদক ব্যবসায়ীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মেম্বারের উপর আক্রমণ করে এমন সংবাদ এলাকার মানুষ শুনে সোহাগ মেম্বারকে উদ্ধারের জন্য বকুল বেগমের বাসায় গেলে নিজেদের লোকদিয়ে বিশৃংখলার ঘটনা ঘটে। সে ঘটনাকে আড়াল করার জন্য নিজ বাসার আসবাবপত্র ভেঙ্গে চুরমার করে মেম্বারকে হুকুমের আসামি করে জেল হাজতে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন, আশুলিয়া থানার এস আই শরিফুল ইসলামের যোগসাজশে তাকে থানায় ডেকে নিয়ে আটকে রেখে ওই মামলার ওই ঘটনার এক নম্বর আসামি বানিয়ে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করার এমন অভিযোগ তুলছেন সোহাগ মেম্বারের সমর্থক সহ এলাকাবাসী । ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে সোহাগ মেম্বারের পুরো ওয়ার্ডের মানুষের মাঝে ।

মেম্বারের সমর্থকরা মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল আক্তারের বিচারের দাবীতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরে বিচার দাবি জানিয়েছেন। পেশাদার সাংবাদিকদের মাদক ব্যাবসায়ী বকুল বেগমের সঠিক তথ্য তুলে ধরে সংবাদ পরিবেশনের কথা থাকলেও কিছু অপ-সাংবাদিক মাদক ব্যাবসায়ীর পক্ষ নিয়ে সংবাদ পরিবেশন করাটাও দুঃখ জনক। সেই সঙ্গে সোহাগ মেম্বারের মুক্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

উল্লেখ্যঃ- বুধবার (১০ আগস্ট) বিকেলে আসামিদের আদালতে তোলা হলে বিজ্ঞ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টের বিচারক আরাফুল ইসলাম সোহাগ মেম্বারকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।

এই মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী ছিলেন অ্যাডভোকেট ইমতিয়াজ ইসলাম। সোহাগের পক্ষে জামিন আবেদন করেন আইনজীবি ফিরুজুর রহমান মন্টু । ইউপি সদস্য শফিউল আলম সোহাগ বাদে বাকি ৭ আসামির জামিন মঞ্জুর করেন আদালত।

সাজানো ঘটনার মামলাটির এজাহার সূত্রে উল্লেখ করা হয়েছে নিম্নরুপঃ-
মুক্তধারা এলাকার একটি মাঠে বসেছিলেন তৌহিদ ও শাওন নামের দুই বন্ধু। এ সময় ফাহিমসহ ১০-১৫ জন যুবকের সঙ্গে তৌহিদ ও শাওন বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। এক পর্যায়ে ফাহিম দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের হামলা করলে ফাহিমকে আটকিয়ে বাড়িতে নিয়ে যায় তৌহিদের লোকজন। বিষয়টি ইউপি সদস্য সোহাগ জানতে পেরে দুই শতাধিক লোক নিয়ে তৌহিদের বাড়িতে হামলা করে বাড়ির সদস্যদের মারধর করার বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলাকাবাসী বলছেন ফাহিম যদি ১০-১৫ জন যুবক নিয়ে থাকে তাহলে তৌহিদ -শাওন দুজনেই কিভাবে ১০-১৫জনের সামনে থেকে ফাহিম’কে একা তুলে নিয়ে যায়?! তাহলে ফাহিমের সঙ্গে থাকা ১০-১৫জন যুবক আঙ্গুল চুষে তাকিয়ে দেখেছিলো এমন প্রশ্ন পুরো এলাকায় আলোচনা সমালোচনায় পরিনত হয়েছে। এলাকাবাসী বলছেন মিথ্যা সাজানো ঘটনা ছাড়া আর কিছুই নয়।
বুধবার (১০ আগস্ট) রাতে পাথালিয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য শফিউল আলম সোহাগের নেতৃত্বে সন্ত্রাসীরা আশুলিয়ার নবীনগর নিরিবিলি এলাকায় একটি বাড়িতে হামলা করে এমন শিরোনামে সাংবাদিকদের মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন অনলাইন পোর্টাল, সোস্যাল মিডিয়া, পত্রিকায় প্রতিবেদন প্রকাশ করিয়েছেন মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল বেগমের পরিবার। এমন অভিযোগও পুরো এলাকাজুড়ে।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, ইউপি সদস্যের সন্ত্রাসী বাহিনী ও তার ভাই আশুলিয়া থানা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সামিউল আলম শামীমের অনুসারীরা ভাঙচুর ও ব্যাপক লুটপাট চালায়। এসময় ওই বাড়ির জানালার কাঁচ ও আসবাবপত্র ভাঙচুরের পর আলমারিতে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

এলাকাবাসী আরও জানান, সোহাগ মেম্বার চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের মাদক ব্যবসা বন্ধ করে দেন। নিরিবিলি এলাকার মাদক ব্যবসা পরিচালনা না করতে পারায় নিজ বাড়ি ভাঙচুর করে সোহাগ মেম্বারের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছেন মাদক ব্যাবসায়ী পরিবার।

দিন দিন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে মাদক ব্যবসায়ীরাঃ-

আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটেছে মাদক ব্যবসায়ীদের কেউ বাঁধা দিলেই তাকে মারধর করে মাদক দিয়ে পুলিশে ধরিয়ে দেয় চক্রটি আর তাতে তদন্ত না করে প্রকৃত ঘটনা আড়াল করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরাও তাদেরকে আটক করে জেল হাজতে পাটাচ্ছেন। তদন্ত না করে আসল অপরাধীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্হা না নিয়েই এমনি এক পরিবারের ৩ সদস্যের নামে মাদকের ১৬ মামলা থাকলেও তাদের মামলায় এখন কারাগারে রয়েছে শফিউল ইসলাম সোহাগ নামের স্থানীয় এক ইউপি সদস্য। এ রকম ঘটনা থেকে বুঝা যায় এদের কাছে এক প্রকারের জিম্মি দশায় রয়েছে এলাকাবাসী। আর মাদকের কড়াল গ্রাসে ধাবিত হয়ে প্রতিনিয়ত মাদকের টাকা সংগ্রহ করতে মাদক সেবীরাও প্রতিদিন চুরি, সিন্তাই, ডাকাতি এমনকি খুন হত্যা হামলা ও চাঁদাবাজীর শিকার হচ্ছেন মানুষজন।

সরেজমিনে গিয়ে অনুসন্ধানে জানা যায়, এ চক্রটির মূল ঘাটি আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকায়। ওই এলাকা থেকে আশে পাশের ইউনিয়নসহ পার্শ্ববর্তী থানায় মাদক ছড়িয়ে যাচ্ছে প্রতিমুহূর্তে । স্থানীয় দুই-চার জন রাজনৈতিক নেতার ছত্র ছায়ায় প্রকাশ্যে এলাকায় মাদক ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে বহু আগে থেকেই । এতে করে মাদকের করালগ্রাসে এলাকার যুব সমাজ ধ্বংস হচ্ছে এবং বাড়ছে অপরাধ প্রবনতা।

মাদক চক্রের মূল হোতা মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল আক্তার ও তার ছেলে তুহিন সরদার মাদকদ্রব্য হেরোইন-ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছে অন্তত কয়েকবার। রয়েছে মাদকের মোট ১৬টি মামলা। তারপরেও অদৃশ্য কারণে তারা রয়ে যাচ্ছে ধরাছোয়ার বাহিরে। বরং তারা এখন ওই এলাকার আতংক। তাদের কাছে এলাকাবাসী এখন জিম্মি।

মাদকের বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুললেই অপ-সাংবাদিকদের ব্যাবহার করে মাদক বিরোধীদের নামে মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন মিডিয়া এবং সোস্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার চালাচ্ছেন। মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল আক্তার আশুলিয়ার নিরিবিলি এলাকার হাউজিং সোসাইটির বাসিন্দা মৃত আব্দুল জলিলের স্ত্রী।

বিভিন্ন সময়ে মাদক সহ আটকের বিবরণ ও মামলার বিবরণ নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ- গত ২০১৭ সালের ১১ জানুয়ারী পৌনে ৭টার দিকে আশুলিয়ার পল্লীবিদ্যুৎ এলাকা থেকে ৩৫ গ্রাম হেরোইন সহ শামিম ওরফে সুন্দরী শামিম কে গ্রেফতার করে আশুলিয়া থানা পুলিশ । এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরও দুই মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে যায়। পলাতকরা হলো- তুহিন সরদার ও মোমেন। তাদের ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়। মামলা নং- ১৬, তারিখ-১১/০১/২০১৭।

এর আগে গত ২০১৭ সালের ১১ জুলাই সকাল ৮টার দিকে নিরিবিলি হাউজিং সোসাইটি এলাকা থেকে ১৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল আক্তারকে গ্রেফতার করে ঢাকা জেলা উত্তর (ডিবি) গোয়েন্দা পুলিশ। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলা-২৯, তারিখ- ১১/০৬/২০১৭ইং।

এর পরের বছরে গত ২০১৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বরে রাত ১০টার দিকে আশুলিয়ার নিরিবিলি মুক্তধারা আবাসিক কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ সংলগ্ন মানিকের চায়ের দোকানের সামনে ইটের সলিং রাস্তার উপর থেকে ১৫০ পুড়িয়া হেরোইন ও ৫২ পিস ইয়াবাসহ মাদক সম্রাজ্ঞী বকুল আক্তারকে গ্রেফতার করে ঢাকা জেলা উত্তর (ডিবি) গোয়েন্দা পুলিশ।
এ বিষয়ে আশলিয়া থানায় মামলা নাম্বার-০৪
তারিখ-১২-০৯/২০১৮ইং।

গত ২০১৯ সালের ১৮ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে আশুলিয়ার নিরিবিলি বস্তি রোডে অভিযান চালিয়ে ৫০পিচ ইয়াবা ট্যাবলেট সহ তুহিন সরদার কে গ্রেফতার করে ঢাকা জেলা উত্তর (ডিবি) গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তার দেওয়া তথ্যে ভিত্তিতে তাদের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ২২০ পুড়িয়া হেরোইন ও ৭০০ পিচ ইয়াবা ট্যাবলেটসহ তার মাকে গ্রেফতার করা হয়ে। এ ব্যাপারে আশুলিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়। মামলা- ৬১, তারিখ- ১৯/১১/২০১৯ইং।

মাদক সহ গ্রেপ্তারের ছবি এবং প্রকাশিত সংবাদের ছবি সহ প্রকাশিত করা হলো।

এ ঘটনার বিষয়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এস আই শরিফুল ইসলামের কাছে তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরাসরি সাক্ষাৎ এ আসেন বলবো বলে ফোন কেটে দেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD