1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
সোমবার, ২৩ মে ২০২২, ০১:৫৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
রাজশাহীতে চারদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে গৃহহারা ৩০ টি পরিবার টঙ্গীতে রিকশা চালকের কামড়ে পুলিশসহ আহত ৪ ঠাকুরগাঁওয়ে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষক সহ আটক – ২ ঠাকুরগাঁওয়ে জরিমানা করতে চাওয়ায় সার্জেন্টের পজ মেশিন ভাঙলেন মোটরসাইকেল আরোহী! পদ্ম ফুল ছেড়ে ঘাস ফুলে প্রবেশ ব্যারাকপুরের বিজেপি র লোকসভার সদস্য অর্জুন সিঙের।। ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীতে কলেজ ছাত্রীকে ইভটিজিংয়ের দায়ে — ২ যুবক আটক ! টঙ্গীতে যুবলীগের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত নোয়াখালীতে দূদকের মামলায় ব্যাংক কর্মকর্তার ৩০বছর কারাদন্ড নেশার টাকা জোগাড়ে ছিনতাই করতেন বুলবুল জবি’র আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটে চালু হচ্ছে স্প্যানিশ ল্যাঙ্গুয়েজ কোর্স

রামেক হাসপাতালে কমছেই না ডায়রিয়া রোগী

প্রশাসন
  • সময় : শুক্রবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২২
  • ৩২ বার পঠিত

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো : রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা কমছেই না। হাসপাতালটিতে শুক্রবারও (২৯ এপ্রিল) শতাধিক ডায়রিয়া রোগী ভর্তি ছিলেন। গত মার্চের শুরু থেকেই এখানে ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হতে শুরু করেছেন। মেডিসিন ওয়ার্ডগুলোর বারান্দায় রেখে ডায়রিয়া রোগীদের চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে, ওয়ার্ডের সামনে বারন্দায় বিছানা পেতে ডায়রিয়া রোগীরা শুয়ে আছেন। রোগীরা জানান, ঈদের কারণে হাসপাতালে সাধারণ রোগীর চাপ কমেছে। ওয়ার্ডে বেড ফাঁকা আছে। কিন্তু ডায়রিয়া রোগীদের বেড দেওয়া হচ্ছে না। ভেতরে মেঝেতেও ডায়রিয়া রোগীকে রাখা হচ্ছে না। ওয়ার্ডের বাইরে একেবারে বারান্দায় ডায়রিয়া রোগীদের রাখা হচ্ছে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, গত মার্চ মাসে এখানে এক হাজার ৬৩৫ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। সবশেষ শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ১২৬ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় এখানে নতুন ৬১ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি হয়েছেন। ওই ২৪ ঘণ্টায় ছাড়পত্র পেয়েছেন ৫৪ জন। পানিশূন্যতা দূর করতে নতুন রোগীদের সবাইকেই চারটি থেকে সাতটি পর্যন্ত স্যালাইন দিতে হচ্ছে।
হাসপাতালের দেওয়া তথ্যমতে, চলতি মাসের ১৬ তারিখে হাসপাতালে সর্বোচ্চ ২০৭ জন ডায়রিয়া রোগী ভর্তি ছিলেন। ২১ এপ্রিল রোগী কমে ১৩৭ জন হয়েছিল। কিন্তু ২৩ এপ্রিলেই রোগী বেড়ে ১৭৮ জন হয়। ২৬ এপ্রিল ভর্তি ছিলেন ১৪৭ জন। বৃহস্পতিবার ভর্তি ছিলেন ১১৯ জন। শুক্রবার রোগী বেড়ে হয় ১২৬ জন। হাসপাতালের বহির্বিভাগেও প্রতিদিন ৬০ থেকে ৭০ জন ডায়রিয়া রোগী চিকিৎসা নিচ্ছেন।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ডায়রিয়া রোগী মাসুম আলী (২৬) বলেন, গত মঙ্গলবার রাত ২টায় তিনি ভর্তি হয়েছেন। এ পর্যন্ত ছয়টি স্যালাইন দিতে হয়েছে তাকে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে তার শারীরীক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। নাসিমা বেগম (৪০) নামের এক রোগীর স্বজন ফেরদৌসি খাতুন বলেন, বুধবার সন্ধ্যায় নাসিমাকে ভর্তি করা হয়েছে। স্যালাইনের স্ট্যান্ড ধরে একটু পর পর তাকে টয়লেটে নিয়ে যেতে হচ্ছে।
রামেক হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের চিকিৎসক মাহাবুবুর রহমান বাদশা জানান, তীব্র গরমে দ্রুতই খাবার নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। ইফতারে সেই খাবার খাওয়ার কারণে ডায়রিয়া হচ্ছে। এ ছাড়া অনেকে আবার তৃষ্ণা মেটাতে বাইরে খোলামেলাভাবে বিক্রি করা আখের রস বা বিভিন্ন ধরনের শরবত পান করছেন। এসব কারণে অনেকে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন। তবে হাসপাতালে এলে তাদের সাধ্যমত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী বলেন, মূলত তীব্র গরমের কারণেই ডায়রিয়া কমছে না। মাঝে একবার বৃষ্টি হলো, তখন দু’একদিনের জন্য ডায়রিয়া রোগী কমেছিল। আবার বেড়ে গেছে। রোজা শেষ হলে মানুষের ইফতারের সময় বাইরের খোলামেলা খাবার খাওয়া বন্ধ হবে। তখন পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে।
হাসপাতালের পরিচালক আরও বলেন, ডায়রিয়া রোগী বেশি হলেও চিকিৎসা দিতে সমস্যা হচ্ছে না। পর্যাপ্ত চিকিৎসক-নার্স আছেন। রোগীরা বিনামূল্যে স্যালাইনও পাচ্ছেন। এই ঈদেও হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক-নার্স থাকবেন। ঈদের ছুটিতে অন্তত একদিন বহির্বিভাগ খুলে চিকিৎসা দেওয়ার বিষয়েও চিন্তাভাবনা চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD