1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৬ অপরাহ্ন
বুধবার, ০৫ অক্টোবর ২০২২, ১০:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নোয়াখালীতে বিয়ে বাড়ীতে কিশোরীর সর্বনাশ করলো মামাত ভাই পদ্মা আবাসিকের আমজাদকে মহাসড়কে সন্ত্রাসীদের দায়ের কোপে আহত নোয়াখালীর সেনবাগে যুবকের আত্মহত্যা ঠাকুরগাঁওয়ে বালিয়াডাঙ্গীর শাকিল হত্যা মামলার আসামি এক মাস ধরে পলাতক, ইউপি চেয়ারম্যানকে খুঁজছে পুলিশ ! গাজীপুর মহানগরের বিভিন্ন পূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন কামরুল আহাসান সরকার রাসেল ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে বৈদ্যুতিক স্পর্শে প্রাণ গেল যুবকের! ঠাকুরগাঁওয়ে রাণীশংকৈলে বিএসএফ’র গুলিতে বাংলাদেশী যুবক আহত । ঠাকুরগাঁও থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রী গাজীপুর থেকে উদ্ধার —আসামীরা পলাতক ! বিয়েপাগল ভেন্ডারী আটক ঠাকুরগাঁওয়ে বিয়ের পর যৌতুকের টাকা গ্রহন করে তালাক দেওয়ার যার নেশা ! নিহত সেনা সদস্য শরীফুলের বেলকুচি বাড়িতে চলছে শোকের মাতম

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তাহের হত্যা মামলার আপিলের রায় ৫ এপ্রিল

প্রশাসন
  • সময় : বুধবার, ১৬ মার্চ, ২০২২
  • ১১৮ বার পঠিত

এম এম মামুন, রাজশাহী ব্যুরো : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ভূ-তত্ত্ব ও খনিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. এস তাহের হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। আগামী ৫ এপ্রিল এই আপিলের রায় ঘোষণা করা হবে।
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে আপিল বিভাগের ৬ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ অাজ বুধবার রায়ের এ দিন ধার্য করেন আদালত।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিৎ দেবনাথ এবং তাহেরের পরিবারের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী নাহিদ সুলতানা যুথি। অন্যদিকে আসামিদের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী এস এম শাহজাহান ও ব্যারিস্টার ইমরান এ. সিদ্দিক। ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কোয়ার্টারের ম্যানহোল থেকে অধ্যাপক তাহেরের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ৩ ফেব্রুয়ারি নিহতের ছেলে সানজিদ আলভি আহমেদ রাজশাহী মহানগরীর মতিহার থানায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। নৃশংস এই হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ২২ মে রায় দেন রাজশাহীর দ্রুতবিচার আদালত। রায়ে চার জনকে ফাঁসি এবং দুই জনকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়। খালাসপ্রাপ্ত চার্জশিটভুক্ত আসামিরা হলেন- রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি মাহবুবুল আলম সালেহী ও আজিমুদ্দিন মুন্সী। ২০০৭ সালের ১৭ মার্চ এ ৬ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছিল পুলিশ। পরে বিচারিক আদালতে ওই রায়ের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আপিল করে আসামিরা। এছাড়া খালাসপ্রাপ্তদের রায়ের বিরুদ্ধেও আপিল এবং মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিদের রায় কার্যকরে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। এরপর ২০১৩ সালের ২১ এপ্রিল আসামি এবং রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদনের শুনানি নিয়ে রায় দেন হাইকোর্ট। রায়ে দুই আসামির ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল এবং অন্য দুই আসামির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ দেওয়া হয়। ফাঁসির দণ্ডাদেশ বহাল রাখা দুই আসামি হলেন- একই বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মিয়া মোহাম্মদ মহিউদ্দিন ও নিহত ড. তাহেরের বাসার কেয়ারটেকার মো. জাহাঙ্গীর আলম। ফাঁসির দণ্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডাদেশ পাওয়া অপর দুজন হলেন- মো. জাহাঙ্গীর আলমের ভাই নাজমুল আলম ও নাজমুল আলমের স্ত্রীর বড় ভাই আব্দুস সালাম। পরে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন আসামিরা। এরই ধারাবাহিকতায় আপিলের শুনানি নিয়ে বুধবার রায়ের দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD