1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে আদালত না থাকায় ৫’শ কিঃ মিঃ দুরে পল্লী বিদ্যুৎ মামলায় হাজিরা দিতে হচ্ছে গ্রাহকদের –ঢাকায় । শরীয়তপুরে সড়ক নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ! জয়পুর শ্রী তারক ধামে সন্ত্রাসী হামলায় মতুয়ারা আহত বিচারের দাবী!! ১নং উথুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রচার -প্রচারনায় ব্যস্ত মো.আমিনুল ইসলাম বাবুল। ১নং উথুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৮নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রচার -প্রচারনায় ব্যস্ত আবু জুরাইজ সরকার ১নং উথুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রচার -প্রচারনায় ব্যস্ত মো.লাল মিয়া। রংপুর স্টেশনে ভাসমান মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করলো মানবাধিকার সংস্থা আসক ফাউন্ডেশন, দক্ষ পুলিশ সমৃদ্ধ দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ এই শ্লোগান নিয়ে এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ হাইওয়ে পুলিশ, অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল ইসলাম দোহাজারী হাইওয়ে। ১নং উথুরা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪নং ওয়ার্ডে মেম্বার পদে প্রচার -প্রচারনায় ব্যস্ত মো.লাল মিয়া। লোহাগাড়া থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে ২১০০(দুই হাজার একশত) পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ০১ জন।

ঠাকুরগাঁওয়ের ঐতিহাসিক গাছটি কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে, নাম জানে না কেউ!

প্রশাসন
  • সময় : শুক্রবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৩৬ বার পঠিত

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,
ডালপালা ছড়িয়ে বিশাল আকৃতি ধারণ করেছে। ঘন পত্রপল্লবে দিনের বেলা এমন ছায়া হয়, যা দেখলে ক্লান্ত পথিকের শত তাড়ায়ও দাঁড়িয়ে যেতে হয়। শরীরটা একটু জিরিয়ে নিতে মন চায়। কিন্তু শতবর্ষী এই গাছের নাম স্থানীয়রা কেউ জানেন না। তাঁরা একে ডাকেন নাকিজাগাছ নামে। ঠাকুরগাঁও জেলার সদর উপজেলার ঢোলার হাট ইউনিয়নের বড়দেশ্বরী বাজার এলাকায় সব গাছ ছাপিয়ে দাঁড়িয়ে আছে এটি। উচ্চতা প্রায় ৩৫ ফুট। শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত করে প্রায় ১৪০ বর্গফুট এলাকাজুড়ে এর ছায়া। ফল আর পাতা ডুমুরগাছের মতো। কখনো ফুল ফোটেনি।
বড়দেশ্বরী বাজার এলাকায় স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১৮ শতকের শেষের দিকে তৎকালীন জমিদার শ্যামাশান্ত রায়বাহাদুর এই গাছের নিচে একটি হাট বসিয়েছিলেন। ঢোলার হাট গ্রামের ৭০ বছর বয়সী লোকমান হোসেন বলেন, ‘এই গাছের ফুল কখনো দেখা যায়নি। ডুমুরগাছের সঙ্গে এই গাছের পাতা ও ফলের অনেক মিল। কিন্তু ফলের আকৃতি ছোট। গ্রামের লোকজন একে নাকিজা নামে ডাকেন। তবে গাছটির প্রকৃত নাম কী, তা কেউ বলতে পারেন না। এমনকি আমাদের পূর্বপুরুষেরাও বলতে পারেননি, কারা কখন লাগিয়েছিলেন গাছটি।’লোকমান হোসেন আরও বলেন, গাছটির ফল পাখিদের প্রিয় খাবার। যখন ফল হয়, তখন এই গাছে পাখির মেলা বসে।
বড়দেশ্বরী বাজারের মুদিদোকানি ইউসুফ আলী বলেন, ‘এ গাছের পাতা উট ও মহিষ খায়। এক সময় শীত মৌসুমে ঝাঁকে ঝাঁকে অতিথি পাখি আসত এই গাছে। তাদের কিচিরমিচিরে ভরে উঠত পুরো এলাকা। তবে শিকারিদের উৎপাতে এখন পাখির সংখ্যা কমে গেছে। গ্রামের ৮০ বছর বয়সী হুমায়ুন কবির বলেন, ‘আমরা ছোটবেলায় এই গাছ যেমন দেখেছি, এখনো তেমনই আছে। বাবা-দাদাদের কাছে শুনেছি, তাঁরাও ছোটবেলায় গাছটিকে এমনই দেখেছেন। কত ঝড়-বৃষ্টি এই গাছের ওপর দিয়ে গেছে, হিসাব নেই। কিন্তু গাছটির কোনো ক্ষতি হয়নি।’বিরল এই গাছের বংশবৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হোসেন। তিনি বলেন, ‘স্থানীয় লোকজন গাছটির নাম দিয়েছে নাকিজা। কিন্তু এর প্রকৃত নাম এখনো জানা যায়নি। এটা আসলে কোন জাতের গাছ, তা গবেষণার মাধ্যমে জানা যেতে পারে। এলাকার বয়োবৃদ্ধদের সঙ্গে কথা বলে ধারণা পাওয়া গেছে, গাছটির বয়স প্রায় ৩০০ বছরের বেশি। প্রাচীন এ গাছ আমাদের ঐতিহ্যের ধারক হতে পারে। তাই কৃষি বিভাগ একে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন বলে মনে করে।’

মোঃ মজিবর রহমান শেখ
০১৭১৭৫৯০৪৪৪

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD