1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৯:১৪ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
টঙ্গীতে মসজিদের ভিত্তিপ্রস্তর স্থপন করলেন ভারপ্রাপ্ত মেয়র আসাদুর রহমান কিরন দিনাজপুরে কারাগারে দেড় বছরের সাজাপ্রাপ্ত আসামির মৃত্যু হাসপাতালে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য, ছবি তোলায় সাংবাদিককে হুমকি কাশিমপুরে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দিল এক প্রভাবশালী সখীপুরে স্বামীর আড়াইলাখ টাকা স্বর্ন অলংকার নিয়ে স্ত্রী উধাও ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সরকারি অধিগ্রহণ হওয়া ভূমির ৪৫ জন মালিককে ৫১ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন তোফা’র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে গাজাসহ গ্রেফতার ১ সখীপুরে দুই ইটভাটার মালিককে জরিমানা ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ২২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ও স্বজন সমাবেশ।

এ এবার জুনাকির চোখের জ্বলে উঠবে আলো চেষ্টায় আছে সাদ্দাম হোসেন অনন্ত।

প্রশাসন
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১৩ জানুয়ারি, ২০২২
  • ২০ বার পঠিত

জাহিদ হাসান জিহাদ।। চোখকে দেহের আলো বলা হয়।আর সেই চোখে যদি আলো না থাকে তাহলে দেহ মূল্যহীন।নাম তাঁর জোনাকি বয়স এগারো। জম্মের পর থেকে মায়াবী সাত রং রঙিন পৃথিবীর আলো ও মা বাবার আদর মাখা মুখ টুকু দেখা হয়নি। এ সময়ে তাঁর নতুন বই নিয়ে খেলা করা কথা।নতুন বইয়ের গন্ধে নিজে প্রফুল্ল করা।চোখে আলো না থাকায় কেড়ে নিয়েছে তাঁর সব আনন্দ-উল্লাস।ভূমিষ্ট হওয়ার পর পৃথিবীর আলাে দেখেনি সে।শিশুটি চোখের আলো ফিরিয়ে এনে স্বাভাবিক জীবন পরিচালনা দায়িত্ব নিয়েছে মানবতার নিবেদিত প্রাণ মো. সাদ্দাম হোসেন অনন্ত।

জোনাকি গাজীপুরের শ্রীপুরে উজিলাবর এলাকার অন্ধ জাকির হােসেন মেয়ে।

শুধু জোনাকি নয় একই পরিবারে রয়েছে আরও ছয়জন জন্মান্ধ ব্যক্তি। সাতজন অন্ধের দেখভাল করেন জোনাকির বৃদ্ধ দাদি রাশিদা বেগম। অন্যরা হলাে জোনাকীর জেঠা আমির হােসেন (৪০), জেঠি শিউলী আক্তার (৩০), ফুপু নাসরিন আক্তার (৩০), ফুপু হাসিনা আক্তার (৩২), বাবা জাকির হােসেন (২৫), ফুপাত বােন রুপা আক্তার (১২)।

শ্রীপুরের জৈনাবাজার এলাকার হাজী বেলাল হোসেন ছেলে ব্যবসায়ী মাে. সাদ্দাম হােসেন অনন্ত।

জোনাকীর বাবা জাকির হােসেন জানান, একই পরিবারে বড় ভাই, ভাবি, দু’বােন, মেয়ে, ভাগ্নিসহ সাতজন অন্ধ। পরিবারের আর্থিক সচ্ছলতা নেই। কেউ কোন কাজকর্ম করতে পাওে না। অর্থের অভাবে কারাে চিকিৎসা হয়নি। অন্ধত্ব আর অভাবের কারণে সংসার ছেড়ে খাদিজা চলে গেছে বহু আগেই। অভাবে অর্ধাহারে অনাহারে দিন কাটে তাদের। অন্ধত্বকেই ভাগ্য বলে মেনে নিয়েছেন তারা। সাতজন অন্ধের মধ্যে পাঁচজন প্রতিবন্ধী ভাতা পান। সংসারের সামান্য আয় আর প্রতিবন্ধী ভাতার টাকায় কায়ক্লেশে চলে সংসার। তিন বেলা মুখের আহার জোটে না। সংসারে আয়ের আর কোন পথ না থাকায় কোনভাবে বেঁচে থাকাটাই দায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তিনি দাবি করেন সমাজের বিত্তবানরা সহায়তার হাত বাড়ালে অসহায় পরিবারটি মানবিক জীবন ফিরে পেত।

জোনাকীর বাবা আরও জানান, অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িছেন সাদ্দাম হােসেন অনন্ত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে তাদের পরিবারকে সহায়তা করছেন। এখন জোনাকীর চোখের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন। মেয়ের চোখের আলাে ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করছেন তিনি।আমি চোখে দেখতে পারিনি আমার মেয়ে চোখে দেখতে পারবে।আমি আমার মেয়ের চোখ দিয়ে এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পারব।আমি সাদ্দাম ভাই প্রতি কৃতজ্ঞ।আমি মন থেকে দোয়া করি উনি যেন সারাজীবন মানুষ সেবা করতে পারে।

জোনাকি বলেন,আমি অন্ধ হওয়ার কারণে মা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।আমার অনেক ইচ্ছে করে এই পৃথিবী আলো আমি দেখি,আমার মা-বাবা মুখটি আমি দেখি।

সাদ্দাম হোসেন বলেন,ডাক্তার বলেন চোখে লেন্স লাগালে জোনাকি দেখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।১৫জানুয়ারি তাকে হসপিটালে ভর্তি করা হবে পরদিন তার চোখের অপারেশন হবে। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করতেছি আপনারা সকলে জোনাকির জন্য দোয়া করবেন। ও যেন চোখের আলো ফিরে পেয়ে তাঁর পরিবারের প্রতিটি সদস্যের চোখ আলোকিত করতে পারে। বড় হয়ে যেন পরিবারের দায়-দায়িত্ব নিতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD