1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:০০ অপরাহ্ন
বুধবার, ২৬ জানুয়ারী ২০২২, ০৮:০০ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
হাসপাতালে স্বাস্থ্যবিধি অমান্য, ছবি তোলায় সাংবাদিককে হুমকি কাশিমপুরে সরকারি রাস্তা বন্ধ করে দিল এক প্রভাবশালী সখীপুরে স্বামীর আড়াইলাখ টাকা স্বর্ন অলংকার নিয়ে স্ত্রী উধাও ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ প্রকল্পের আওতায় সরকারি অধিগ্রহণ হওয়া ভূমির ৪৫ জন মালিককে ৫১ কোটি টাকার চেক হস্তান্তর করেছে ঢাকা জেলা প্রশাসন। বীর মুক্তিযোদ্ধা তোফাজ্জল হোসেন তোফা’র রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে গাজাসহ গ্রেফতার ১ সখীপুরে দুই ইটভাটার মালিককে জরিমানা ময়মনসিংহের মুক্তাগাছায় দৈনিক যুগান্তর পত্রিকার ২২ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ও স্বজন সমাবেশ। জবি রোভার স্কাউট গ্রুপ এবং রোভার স্কাউট অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের শীতবস্ত্র বিতরণ কাপ্তাই বড়ইছড়ি সাপ্তাহিক বাজারে মাস্কবিহীন অপরাধে ভ্রাম্যমান অভিযানে ১৩ মামলা

ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে বাগানেই বিক্রি হচ্ছে দার্জিলিং কমলা, দর্শনার্থীর ভিড় ।

প্রশাসন
  • সময় : মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২২
  • ৪০ বার পঠিত

মোঃ মজিবর রহমান শেখ,,
ঠাকুরগাঁও জেলায় দার্জিলিং জাতের কমলা বাগান করে লাভবান হয়েছেন কৃষক আবু জাহিদ ইবনুল ইরাম জুয়েল। বাগানের প্রতিটি গাছে ফল ধরেছে প্রচুর। ভারতীয় জাতের এ ফল মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় বাজারে চাহিদাও রয়েছে। এছাড়াও বাগানটি দেখার জন্য প্রতিদিন হাজারো দর্শনার্থী ভিড় করছেন। বাগানেই বিক্রয় হচ্ছে দার্জিলিং জাতের কমলা। ঠাকুরগাঁও জেলার পীরগঞ্জ উপজেলার ২নং– কোষারাণীগঞ্জ ইউনিয়নের মালঞ্চা গ্রামের জুয়েল নামে এক কৃষক দশ বছর আগে হর্টিকালচার থেকে হাতে গোনা কয়েকটি চারা ক্রয় করে জমিতে রোপন করে। দু বছরের মাথায় আশানুরুপ ফল হওয়ায় বাগানের পরিধি বাড়ায়। এখন উনার বাগানে প্রায় ৩শ’টি কমলা গাছ রয়েছে।
উৎপাদিত বাগানের এসব ফল স্থানীয় বাজারের চাহিদা পুরণ করে পাঠানো হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। প্রতি বছর বাগানের পরিধি বাড়ায় কর্মসংস্থানের সৃস্টি হয়েছে অনেকের। বাগানের প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় ঝুলছে ভারতীয় দার্জিলিং জাতের কমলা। নভেম্বর মাস থেকে বাগানের উৎপাদিত কমলা বিক্রি করতে শুরু করেছে বাগান মালিক।
বর্তমানে তিনশতাধিক গাছের এই বাগানের প্রতিটিতে আট থেকে নয়শ কমলা ধরেছে। চলছে ফল বিক্রি কার্যক্রম। উৎপাদিত কমলা ক্রয়ে বাগানেই ছুটে আসছেন দূর দূরান্তের ব্যবসায়ীরা। সেখান থেকেই প্রতি কেজি কমলা বিক্রি করছেন ১৫০-২০০ টাকা দরে। একই প্লটে উৎপাদন করছেন চারা। সীমান্ত এলাকায় ফল বাগান গড়ে উঠায় কর্মসংস্থানের পাশাপাশি এলাকার অন্যান্য কৃষকেরাও উদ্ভুদ্ধ হয়ে নিচ্ছেন পরামর্শ। বাগান দেখতে আসা দর্শনার্থী ওমর ফারুক বলেন, ‘শহর থেকে এসেছি কমলা বাগান দেখতে। আমি দার্জেলিং এ বাগান দেখেছি। কিন্তু এখানে কমলা বাগান যে সুন্দর তা দার্জেলিং এর বাগানকেও হার মানাবে। আর এই কমলা অনেক মিষ্টি। আমার দেশের মাটি সোনার চেয়েও খাটি তা এই বাগান দেখেই বোঝা যায়।’ আরেক দর্শনার্থী সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পরিবার সহ কমলা বাগান দেখতে এসেছি। আগে কমলা বাগান শুধু ছবিতেই দেখেছি। আজ বাস্তবে গাছে ঝুলন্ত কমলা দেখলাম। আর পুরো বাগানে কমলা ঝুলে রয়েছে। দেখতেই অনেক সুন্দর লাগছে। কমলা ক্রয় করে খেলাম অনেক মিষ্টি ও রসালো কমলা। এই কমলা খেয়ে মনে হল না যে আমার দেশের মাটিতে উৎপাদিত কমলা খাচ্ছি। পরিবারের সকলে খুশি এমন কমলা বাগান দেখতে এসে।’শহরের পাশেই কমলা বাগানের মালিক মাহফিজুর রহমান ছুটু বাগান দেখতে এসে বলেন, আমার বাগানেও কমলা গাছ রয়েছে। তবে এই বাগান খুব সুন্দর করে যত্ন করার কারণে ফলন অনেক ভালো হয়েছে। এছাড়াও ফলের সাইজ ও রং একবারে ঠিকঠাক হয়েছে। আমি বাগান মালিক জুয়েল ভাই এর সাথে আমার বাগান নিয়ে আলোচনা করার জন্য এসেছি। এমন বাগান আমাদের দেশের কৃষক করলে একদিকে যেমন লাভবান হবে নিজেরা, অন্যদিকে দেশে ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরনে ভূমিকাও পালন করবে।’কমলা বাগানে প্রথম থেকেই কাজ করেন নরেন মোহন জানান, ‘আমি বাগানের প্রথম থেকেই কাজ করছি। এখন প্রতিদিন প্রায় এক হাজারের উপর মানুষ আসে এই বাগান দেখতে। আমরা বাগানে ৮/১০ জন এখন কাজ করতেছি। কমলা গাছ থেকে পারার জন্য ৩/৪ জন কে কাজ করতে হয়।’দার্জিলিং জাতের কমলার বাগানের মালিক আবু জাহিদ ইবনুল ইরাম জুয়েল বলেন, ‘এই বাগান থেকেই এবার দশ হাজার মেট্রিকটন কমলা উৎপাদন হবে আশা করছি। আমার বাগানের বয়স প্রায় ১০ বছর। তিন বছর পর থেকেই ফলন আসা শুরু হয়েছে। এর আগে আমি ফল পাইকারি বিক্রয় করে দিতাম। এবার সোস্যাল মিডিয়ার কারণে বাগানটি ভাইরাল হয়েছে। সেজন্য প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ এই বাগান দেখতে আসে। তবে কৃষকরা যদি এভাবে কমলার বাগান করতে এগিয়ে আসে তাহলে কৃষিতে একটা বিপ্লব ঘটবে। আর কমলা দেশের বাহির থেকে আনতে হবে না। আমাদের দেশের কমলা দিয়েই ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ হবে বলে আমি মনে করছি। এছাড়াও আমার কাছে কেও বাগান সম্পর্কে জানতে আসলে বাগান করতে কৃষকদের উৎসাহ দিচ্ছি।’উল্লেখ্য, কৃষি বিভাগের তথ্য মতে জেলায় ৭৩ হেক্টর জমিতে মালটা ও কমলার বাগান রয়েছে এক হাজার বত্রিশটি। এর মধ্যে সীমান্তবর্তী উপজেলার পীরগঞ্জ ও হরিপুরে ভারতীয় দার্জিলিং জাতে বাগান ।

মোঃ মজিবর রহমান শেখ
০১৭১৭৫৯০৪৪৪

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD