1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
শনিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২২, ০৪:০৬ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
নড়াইলে কালিয়া পুলিশের হাতে জমি জালিয়াতচক্রের ২ সদস্য গ্রেফতার ময়মনসিংহ গফরগাঁও পাগলা থানা এলাকার ইটের ভাটা গুলো চলছে পাগলা প্রেস ক্লাবের নিয়ন্ত্রণে । আশুলিয়ায় বসত বাড়িতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডঃ আরজেএফ’র উদ্যোগে বিশ্ব তথ্য সুরক্ষা দিবস পালিত মানবিক বাংলাদেশ সোসাইটির পক্ষ থেকে শীত বস্ত্র বিতরন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ নোয়াপাড়া পৌরসভার পরিচিতি ও বর্ধিতসভা অনুষ্ঠিত রংপুরে চুরির অপবাদে দুই শিশুকে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় গ্রেফতার ১ “ যেকারণে বাংলাদেশে ইংরেজি শিক্ষায় সংষ্কার সাধন যুক্তিযুক্ত ঠাকুরগাঁওয়ে রুহিয়াতে দুর্ধর্ষ চুরি, ঠাকুরগাঁওয়ে আলু ক্ষেতে ধনপতি কৃষকের মরাদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ ।

যশোরে ভুয়া কাগজপত্রে ২০বছর ধরে চাকুরী করছে আবু সাঈদ

প্রশাসন
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ৩০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৪ বার পঠিত

যশোর জেলা প্রতিনিধি (আশরাফুল ইসলাম বাবু)

যশোর শহরতলীর মোমিননগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী দীর্ঘ ২০ বছরাধিককাল ধরে জাল সাময়িক সনদপত্র দিয়ে চাকুরী করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মূল সার্টিফিকেট দেখাতে পারেননি। জানা গেছে, যশোর শহরতলীর মোমিননগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১৯৯৮ সালের পর অফিস সহকারী পদে যোগদান করেন আবু সাঈদ নামে এক ব্যক্তি।

তিনি চাকুরীতে যোগদানের সময় মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ডেে অধীন আলিম পাশের একটি সাময়িক সনদপত্র জমা দেন। আজ অবধি তিনি সেই সাময়িক সনদপত্রের ভিত্তিতেই চাকরী করছেন এবং বেতন ভাতাদি উত্তোলন করছেন। নিয়ম অনুযায়ী সাময়িক সনদপত্র সাময়িক সময়ের (৩বছর) জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, কিন্তু চাকরী জীবনের ২০ বছর অতিক্রান্ত হলেও আজ পর্যন্ত আবু সাঈদ মূল সনদ জমা দিতে পারেননি।

কেন দিতে পারেননি সে বিষয়ে তিনি বলেন কেউ কোনদিন চায়নি তাই আনা হয়নি। আবু সাঈদ যে সাময়িক সনদপত্রটি জমা দিয়েছেন সেখানেও রয়েছে অসঙ্গতি। সাময়িক সনদে শিক্ষাবর্ষ লেখা রয়েছে ১৯৯৮-১৯৯৯ সাল এবং পরীক্ষার সাল লেখা রয়েছে ১৯৯৮, সাধারন শাখা, বহিরাগত। সেই হিসাবে শিক্ষাবর্ষ শেষ হওয়ার এক বছর আগেই তিনি আলিম পাশ করেছেন। সাময়িক সনদে তিনি কোন মাদ্রাসার ছাত্র সেটাও বলা নেই।
শিক্ষাবর্ষ শেষ হওয়ার এক বছর আগেই কিভাবে আলিম পাশ করলেন জানতে চাইলে আবু সাঈদ বলেন এটা বোর্ডের ব্যাপার, আমি বলতে পারবো না। মূল সনদপত্র দেখতে চাইলে তিনি বলেন ওটা আনা হয়নি। কেন আনা হয়নি জানতে চাইলে বলেন, লাগেনি তাই আনিনি। তবে ২০ দিন সময় দিলে তিনি দেখাতে পারবেন বললেও গত দেড় মাসেও তিনি দেখাতে পারেনি। তিনি আরো বলেন, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা অফিসের কর্মকর্তারা বিষয়টি জানেন। তারা আমাকে আজ পর্যন্ত কিছুই বলেননি। প্রশ্ন উঠেছে, আবু সাঈদ কিভাবে এই দীর্ঘ সময় একটি অসঙ্গতিপূর্ণ সাময়িক সনদপত্র দিয়ে চাকুরী করছেন। সংশ্লিষ্ট জেলা শিক্ষা অফিসও আজ পর্যন্ত কেন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।

এ ব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি হার্টের বাইপাস সার্জারি করে বাড়িতে চিকিৎসাধীন থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি। এ ব্যাপারে যশোর জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম গোলাম আজম জানান, এ বিষযটি আমার জানা নেই। এখন জানালাম। খোঁজখবর নিয়ে কোন অনিয়ম পেলে ব্যবস্থা নেবো।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD