1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ০৫:৪২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হল পবিপ্রবির GST গুচ্ছভুক্ত ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৷ যুবলীগ নেতা রইচ-উদ্দিন (বাচ্চুকে) তালন্দ ইউপি সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করে মনোনয়ন পত্র জমা দিলেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা! সাভার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে সাংবাদিক সুরক্ষা আইন বাস্তবায়নের স্মারক লিপি প্রদান সাংবাদিক সুরক্ষা আইন প্রনয়নের দাবীতে দেশব্যাপী প্রধানমন্ত্রীর নিকট স্মারকলিপি প্রদান মোহনপুরে মৌগাছি বাজারে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় আব্বাস আলী নিহত! তানোরে আ’লীগ সহ-সভাপতি খাদেমুন নবী চৌধূরী (বাবু) সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন। বিতর্কিতদের নাম কেন্দ্রে পাঠানো নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারিবিতর্কিতদের নাম কেন্দ্রে পাঠানো নিয়ে কঠোর হুঁশিয়ারি! সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের ৷ টঙ্গীতে প্রতারনা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেফতার। গাজীপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে মোটরসাইকেলের ধাক্কা নিহত ২ যুবলীগ নেতা রইচ-উদ্দিন (বাচ্চুকে) তালন্দ ইউপি সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ঘোষণা করেছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা!

নানা প্রতিকুলতার মাঝেও আজও টিকে আছে ফতেপুরের মৃৎশিল্প

প্রশাসন
  • সময় : বুধবার, ৬ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৫ বার পঠিত

মোঃরাসেল কবির
জেলা প্রতিনিধি,সাতক্ষীরা।

বাঙালি জীবনের হাজার বছরের ঐতিহ্য বহনকারী মাটির তৈরি সামগ্রীর চাহিদা কমতে থাকায় উপমহাদেশের অন্যতম প্রাচীন শিল্পটি এখন প্রায় বিলুপ্তির পথে।

আধুনিক জিনিসপত্রের ভিড়, সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না থাকা এবং মাটি সংগ্রহের দাম বৃদ্ধিসহ নানা সংকট এ শিল্প হারিয়ে যেতে বসেছে বলে জানান কুমারেরা।

মৃৎশিল্প বাঙালির শত বছরের পুরনো ঐতিহ্য।

কিন্তু কালের বিবর্তনে ধীরে ধীরে কমে যাচ্ছে এই শিল্পের প্রসার। অনেকে এ পেশায় থাকলেও মাটির তৈরি সামগ্রীর চাহিদা না থাকায় অভাব-অনটনে সংসার চালাতে পারছেন না তারা।

সাতক্ষীরা কালিগঞ্জ উপজেলার ফতেপুর গ্রামের অসংখ্য পরিবার এ পেশার সঙ্গে জড়িয়ে থাকলেও কিছু দিনের ব্যবধানে ভিন্ন পেশায় যুক্ত হয়েছে।

কিন্তু ফতেপুর গ্রামের কিছু সংখ্যক কুমারেরা আজও পুরানো ঔতিহ্যকে টিকিয়ে রাখছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, নানামুখী সংকটের কারণে হারিয়ে যাচ্ছে ঐতিহ্যবাহী এ শিল্প। ফলে এর ওপর নির্ভরশীল পরিবারগুলোর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। স্টিল, চিনামাটি, মেলামাইন ও প্লাস্টিকের জিনিসপত্র বাজারে আসার পর মানুষ আর মাটির মৃৎ সামগ্রি ব্যবহার করছেন না। এখন শুধু গবাদিপশুর খাবারের জন্য গামলা, কলস, মাটির ব্যাংক, মাটির পাতিল ও সংখ্যালঘুদের পূজা-পার্বণের জন্য নির্মিত কিছু সামগ্রীর চাহিদা রয়েছে। গ্রামাঞ্চলের অনেক মানুষ অবশ্য এখনও দৈনন্দিন প্রয়োজনে কিছু মাটির তৈরি পাত্র ব্যবহার করেন। কিন্তু মাটির তৈরি সৌখিন জিনিসপত্রের বাজার চাহিদা তেমন একটা নেই বললেই চলে।

কুমারেরা জানান, প্রথমে মাটি তৈরি করে তার পর বিভিন্ন আসবাপত্র তৈরি করতে হয়। মাটির তৈরি এসব সামগ্রী শুকানো, রং করাসহ পুরোপুরিভাবে প্রস্তুত করতে কয়েকদিন সময় লাগে। পরে এসব সামগ্রী বিক্রির জন্য নিয়ে যাওয়া হয় সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায়।

সচেতন মহল মনে করেন,মাটির জিনিসের চাহিদা কমতে থাকায় এবং মাটি সংগ্রহে খরচ বেশি হয় বলে মৃৎশিল্পীরা দিন দিন এ ঐতিহ্য থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে। তবে কিছু সংখ্যক পরিবার বংশ পরম্পরার কারণে এ শিল্প ধরে রেখেছে। এ শিল্পের জন্য সরকারিভাবে যদি কোনো সহযোগিতা করা হয় তবে বাঙালির ঐতিহ্যময় এ শিল্প ধরে রাখতে পারবে মৃৎশিল্পীরা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD