1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০২ অপরাহ্ন
বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১, ০৮:০২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মটর সাইকেল মার্কা পেলেন বাধাইড় ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী রফিকুল ইসলাম। তানোরে বিবাদমান সম্পত্তির ওপর নির্মিত বাড়ি বিক্রির পাঁয়তারা! বিএনপির আর ক্ষমতায় আসার সুযোগ নাই : এনামুল হক শামীম সিলেটে জালানি তেলের সংকট নিরসনে ৭ দিনের আল্টিমেটাম চা আমাদের প্রতিদিনের ব্যস্ত জীবনের নিত্যসঙ্গী আরজেএফ’র মিলাদ ও দোয়া মাহফিল ছিনতাইকারী গ্রেপ্তারের দাবিতে শ্যামনগরে মানববন্ধন চকরিয়ায় হানিফ বাস-ডাম্পার সংঘর্ষ: আহত ২ এক ঘন্টার জন্য সমাজ সেবা উপ পরিচালকের দায়িত্ব পালন করলো চা-শ্রমিকের মেয়ে অষ্টমণি লোহার প্রাচীনকাল থেকে মানুষ প্রাকৃতিক খাদ্য হিসেবে, মিষ্টি হিসেবে, চিকিৎসা ও সৌন্দর্য-চর্চাসহ নানাভাবে ব্যবহার করে আসছে মধু।

ইউরোপের স্বপ্নযাত্রায় ভূমধ্যসাগরে ডুবে মরেছে ১১৪৬ জন: জাতিসংঘ

প্রশাসন
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ১৫ জুলাই, ২০২১
  • ৭৪ বার পঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

উন্নত জীবনের আশায় উত্তাল সমুদ্রপথ পেরিয়ে স্বপ্নের দেশ ইউরোপ যাওয়ার পথে গত ছয় মাসে সাগরে ডুবে এক হাজার ১৪৬ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থীর মৃত্যু হয়েছে।
জাতিসংঘের অভিবাসন বিষয়ক সংস্থা আইওএম এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের মৃত্যুর হার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। একই সময়ে ভূমধ্যসাগর পেরিয়ে ইউরোপে পাড়ি জমানোর চেষ্টাকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে ৫৮ শতাংশ।

সংস্থাটি বলছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাস-ভূমধ্যসাগরে দিয়ে ‘লিবিয়া থেকে ইতালি’ যাওয়ার পথে ডুবে মরেছে ৭৪১ জন। এরপর আটলান্টিক মহাসাগরের পশ্চিম আফ্রিকা থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপের পথে মারা গেছেন কমপক্ষে ২৫০ জন। এছাড়া পশ্চিম ভূমধ্যসাগরের স্পেনমুখী পথে মারা গেছেন কমপক্ষে ১৪৯ জন এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরের গ্রিসের পথে প্রাণ হারান ৬ জন।

আইওএম বলেছে, অনেক জাহাজ ভেঙে ডুবে যাওয়ায় এবং শনাক্ত করতে না পারায় ইউরোপগামী ভূমধ্যসাগরের পথে মৃতের প্রকৃত সংখ্যা আরও অনেক বেশি হতে পারে।

ভূমধ্যসাগরে বিভিন্ন দেশের সরকারের তল্লাশির অভাব এবং উদ্ধারকারী যানের অনুপস্থিতির কারণে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বলে সতর্ক করে দিয়েছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো।

আইওএম বলেছে, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে তিউনিশিয়ার উদ্ধার অভিযান গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ৯০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। লিবিয়ার কর্তৃপক্ষ সাগর পথে ১৫ হাজারের বেশি পুরুষ, নারী ও শিশুকে উদ্ধারের পর ফেরত পাঠিয়েছে; যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় তিন গুণ বেশি। এদের মধ্যে অনেক বাংলাদেশি নাগরিকও আছেন।

এদিকে, উদ্ধারকারী দাতব্য জাহাজগুলোকে ইতালীয় কর্তৃপক্ষের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করার হারও বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে আইওএম। এই জাহাজগুলো ইউরোপীয় ইউনিয়নের শূন্যতা পূরণে বছরের পর বছর ধরে ভূমধ্যসাগরে কাজ করছে। অনেক সময় অলাভজনক এসব জাহাজকে মাসের পর মাস অথবা বছরের পর বছর ধরে আটকে রাখা হচ্ছে।

ভূমধ্যসাগরে চলতি বছর অভিবাসনপ্রত্যাশী ও শরণার্থীদের মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে ছোট নৌকায় চেপে সাগর পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা, আন্তর্জাতিক জলসীমায় ইউরোপীয় নেতৃত্বাধীন সক্রিয় উদ্ধার ও তল্লাশি অভিযানের অনুপস্থিতি, অলাভজনক সংস্থাগুলোর ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞাসহ বিভিন্ন কারণ ভূমিকা রেখেছে বলে জানিয়েছেন আইওএমের মুখপাত্র সাফা মেহলি।

মার্কিন বার্তাসংস্থা এপিকে তিনি বলেছেন, এসব মানুষকে এ ধরনের বিপজ্জনক যাত্রায় ছেড়ে দেওয়া যায় না।

অভিবাসনের তথ্য-উপাত্ত ও পরিসংখ্যান প্রকাশকারী নিরপেক্ষ থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান আইএসপিআইয়ের গবেষক মাত্তেও ভিলা বলেছেন, চলতি বছর বিভিন্ন অলাভজনক সংস্থার অন্তত ৯টি জাহাজ আটকে রেখেছে ইতালি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা

© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১ খোলা নিউজ বিডি ২৪
Themes Customize By Theme Park BD