1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা কোনো বাধাই টিকছে না - খোলা নিউজ বিডি ২৪
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:১৫ অপরাহ্ন
শুক্রবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১২:১৫ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পলাশবাড়ীতে মাদ্রাসার অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে গভর্নিং বডির তিন সদস্যের সংবাদ সম্মেলন মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার ‘গাভী’ পেয়ে খুশি নাটোরের সিংড়া উপজেলার ৩৯ টি আদিবাসী পরিবার কুড়িগ্রামে ভার্মী কম্পোষ্ট উৎপাদন নিয়ে প্রশিক্ষণ ও আলোচনা “ময়মনসিংহ পুলিশ হাসপাতালে পুলিশ সদস্যদের জন্য ডায়াগনস্টিক টেস্ট কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন” সদ্য পদন্নোতি প্রাপ্ত সিআইডি’র কর্মকর্তাদের র‍্যাংক ব্যাজ পরিধান করান সিআইডি প্রধান পটুয়াখালীতে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে শহীদ মিনার নির্মান কাজের ভি‌ত্তিপ্রস্থর স্থাপন ধামইরহাট সীমান্ত প্রেসক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন ময়মনসিংহের গফরগাঁও অধিকাংশ ইটভাটায় পোড়ানো কাঠ শরীয়তপুর পৌরসভার স্টাফের ওপর হামলার অভিযোগ ২ বছর ভোগান্তীর পর সংষ্কার হচ্ছে গৌরীপুর- শ্যামগঞ্জ সড়ক

ঈদে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা কোনো বাধাই টিকছে না

প্রশাসন
  • সময় : সোমবার, ১০ মে, ২০২১
  • ১০৮ বার পঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক :
* নির্দেশনা অমান্য করে ছুটছে হাজারো মানুষ
* জনস্রোত ঠেকানো যাচ্ছে না শিমুলিয়ায়
* ‘লুকোচুরি’ করে চলছে দূরপাল্লার বাস
* ‘পুলিশি খরচের’ কারণে ভাড়া বেশি, ভাষ্য চালকের
করোনাভাইরাস সংক্রমণে প্রাণহানি এড়াতে ঈদ সামনে রেখে মানুষকে ঢাকা ছাড়তে নিরুৎসাহিত করা হলেও গতকাল রবিবার ফেরি ঘাটে দেখা গেছে ঘরে ফেরা মানুষের ঢল। মানুষের ঢল ঠেকাতে ফেরি ঘাটে বিজিবি পর্যন্ত মোতায়েন করতে হয়েছে। দূরপাল্লার বাস বন্ধ, ফেরি বন্ধ, কিন্তু তারপরও নাড়ির টানে ঘরে ফেরা মানুষকে ঠেকানো যাচ্ছে না, কোনো বাধাই টিকছে না মানুষের কাছে। সরকারের সব নির্দেশনা অমান্য করে মানুষ ছুটছে ঢাকা ছেড়ে। মামুন নামে এক ব্যক্তি রওনা দিয়েছেন কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা যাওয়ার উদ্দেশে। গুলিস্তান থেকে ভ্যানে করে আমিনবাজার এসেছেন। সেখানে তিনি বলেন, পরিবার নিয়ে ঈদ করতে বাড়ি যাচ্ছি। ফেরি বন্ধ, কিভাবে যাবেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, ফেরি না চললেও স্টিমার চলছে। ছোট ছোট লঞ্চ, ট্রলার আছে। ফেরি ছাড়া অন্য সব চলছে। অন্যান্য বছর ঈদের এই সময়টাতে গাবতলী থাকতো লোকে লোকারণ্য। গাবতলীতে এবার সে চিত্র নেই, কারণ বাস বন্ধ। তবে আমিন বাজার ব্রিজ পার হলেই দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। হাজার হাজার মানুষ গাড়ির জন্য অপেক্ষা করছেন। সেখানে সহজেই মিলছে কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল।
গতকাল রবিবার সকালে দেখা গেছে, সরকারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও বাস, কার, মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলে চেপেই যাত্রীরা যাচ্ছেন আরিচা-পাটুরিয়া ঘাটের দিকে। প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে জনপ্রতি ভাড়া নেয়া হচ্ছে ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। অন্যদিকে বাসে জনপ্রতি ভাড়া নেয়া হচ্ছে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকা। তবে প্রশাসনের তৎপরতায় যাত্রীদের গাবতলী থেকে হেঁটে আমিনবাজার গিয়ে ঘাটের গাড়ি ধরতে হচ্ছে।
এদিকে ফেরিতে মানুষের ঢল থামাতে বিজিবি মোতায়েন করা হলেও মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়ায় বাড়িফেরা মানুষদের ঢল লক্ষ্য করা গেছে। বিজিবির বাধা সত্ত্বেও জোর করে ফেরিতে ওঠে যাত্রীরা। অতিরিক্ত যাত্রীর চাপে শিমুলিয়া ঘাট থেকে গতকাল রবিবার সকাল ১০টার দিকে প্রায় দুই হাজার যাত্রী নিয়ে ছেড়ে গেছে ফেরি শাহপরাণ। এর আগে ১১টি অ্যাম্বুলেন্স ও কিছু যাত্রী নিয়ে ছেড়ে যায় ফেরি ফরিদপুর। সকালের দিকে মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার পাটুরিয়া ফেরিঘাট এলাকায় ঘরমুখো যাত্রীদের তেমন একটা চাপ দেখা না গেলেও দুপুরের দিকে কিছুটা চাপ বেড়েছে।
সাব্বির নামের আরেকজন যাবেন পাবনা। বোনকে নিয়ে রওনা হয়েছেন অনিশ্চিত যাত্রায়। তিনি বললেন, বাড়িতে যাচ্ছি অসুস্থ মায়ের জন্য। মা অসুস্থ না থাকলে এই পরিস্থিতিতে বাড়িতে যেতাম না। মূলত মাকে দেখতেই বাড়ি যাচ্ছি। সরকারের লকডাউনে আমরা সাধারণ জনগণ বিপদে পড়েছি, বললেন রফিক নামে এক ব্যক্তি। মো. রফিক নামে এক যাত্রী যাবেন মানিকগঞ্জের সাটুরিয়ায়। তিনি বলেন, গাড়ি চলাচল না করায় বিপদে পড়েছি। সরকারের লকডাউনে আমরা সাধারণ জনগণ বিপদে পড়েছি। ফার্মগেট থেকে বাসে গাবতলী এসেছি। গাবতলী থেকে হেঁটে আমিনবাজার এসেছি। এখান থেকে লেগুনা করে যাব। রোজিনা নামে আরেকজন যাবেন টাঙ্গাইলে। তিনি বলেন, ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছি। ঈদ শেষে আবার ঢাকায় আসব। কিভাবে যাবেন এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রাইভেট কারে যাবো। ভাড়া একটু বেশি লাগবে, তবে নিশ্চিন্তে বাড়িতে যেতে পারব, এটাই স্বস্তির। করোনাভাইরাসের দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় ৫ এপ্রিল থেকে দেশে চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করা হলেও তা কার্যকর হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে। সে পরিপ্রেক্ষিতে ১৪ এপ্রিল থেকে চলাচল নিয়ন্ত্রণে নতুন করে বিধিনিষেধ আরোপ করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এরপর কয়েক দফায় ওই বিধি-নিষেধের মেয়াদ বাড়িয়ে সর্বশেষ ১৬ মে পর্যন্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ঈদ সামনে রেখে মানুষের ঘরে ফেরা ঠেকাতে ঈদের ছুটিতে কর্মস্থল ত্যাগ না করার নির্দেশও দিয়েছে সরকার। করোনাভাইরাসের বিস্তার ঠেকাতে সরকারের পক্ষ থেকে এমন নির্দেশনা দেয়া হলেও ফেসবুকে এ নির্দেশনার সমালোচনা করছেন অনেকে। দূরপাল্লার বাস চালুর দাবি জানিয়েছে পরিবহন সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলোও। দাবি বাস্তবায়ন না হলে ঈদের নামাজ শেষে সারাদেশের মালিক ও শ্রমিকরা নিজ নিজ এলাকায় বাস ও ট্রাক টার্মিনালে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত অবস্থান কর্মসূচি পালন করবে। এছাড়া ঈদের পরে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে।
এদিকে ঈদের আগে মুন্সীগঞ্জের শিমুলিয়া ঘাট থেকে দিনের বেলা ফেরি চলাচল বন্ধ থাকলেও গতকাল রবিবার সকালে অ্যাম্বুলেন্স বহনের জন্য ‘শাহ পরান’ নামের ফেরিটি ঘাটে ভেড়া মাত্র ঘরমুখো বেপরোয়া মানুষ মুহূর্তের মধ্যে তাতে উঠে পড়ে। বিজিবি মোতায়েন করেও শিমুলিয়া ঘাট দিয়ে বাড়িমুখোদের স্রোত ঠেকানো যাচ্ছে না। গতকাল সকাল থেকে দক্ষিণের জেলাগুলোতে যাওয়ার জন্য হাজার হাজার মানুষ ঘাটে আসতে শুরু করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে ভিড় আরও বাড়ে।
বিআইডব্লিউটিসি রাতভর ১৫টি ফেরি দিয়ে পারাপার করলেও ভোর থেকে তা বন্ধ করে দেয়। তবে সকাল পৌনে ৮টার দিকে আটটি অ্যাম্বুলেন্সসহ ফেরি ফরিদপুর ১ নম্বর ঘাট থেকে ছেড়ে যায়। বিআইডব্লিউটিসির সহকারী মহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, দিনের বেলায় ফেরি বন্ধ। শুধু জরুরি পরিষেবার কিছু যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। সেই ফেরিতেই লোকজন স্রোতের মত উঠে যাচ্ছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকির মধ্যেও লোকজন বাড়ি ছুটছেন। কোনো বাঁধাই মানছেন না। সকালে ১ নম্বর ঘাটে গিয়ে দেখা যায়, ফেরি ফরিদপুরে ওঠার জন্য যাত্রীরা হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন। পুরো ফেরি মানুষে ভর্তি হয়ে যেতে সময় লাগে কয়েক মিনিট। লোকজনের চাপে ফেরির ডালা ওঠানো যাচ্ছিল না। পুলিশ তখন লাঠিপেটা করে ফেরির ডালা ওঠানোর ব্যবস্থা করে। পরে গাদাগাদি করে ছোট ফেরিটিতে করে প্রায় দেড় হাজার মানুষ ওপারের কাঁঠালবাড়ি ঘাটের দিকে রওনা দেয়। ফেরি ঘাটের আশপাশে জেলে নৌকা ও ট্রলারে করেও অনেকে পদ্মা পার হওয়ার চেষ্টা করেন। পদ্মা নদীর মাওয়া মৎস্য আড়ত সংলগ্ন ঘাট এলাকা, পদ্মা নদীর লৌহজং চ্যানেল এলাকা এবং শিমুলিয়া ঘাট এলাকা থেকে নৌপুলিশ সেসব ট্রলার আটক করে। মাওয়া নৌ-পুলিশ স্টেশনের ইনচার্জ জেএম সিরাজুল কবির বলেন, ফেরি বন্ধের নির্দেশনার পরও রোববার প্রচুর যাত্রী শিমুলিয়া ঘাটে আসছে। ফেরিতে উঠতে না পেরে অনেকে বিধিনিষেধ উপেক্ষা করে ইঞ্জিন চালিত ছোট ছোট ট্রলারে করে পদ্মা পার হওয়ার চেষ্টা করে। লকডাউনে দূরপাল্লার বাস বন্ধ থাকার কথা, কিন্তু ঈদ যাত্রায় মানুষের গ্রামে ফেরার তীব্র আকাক্সক্ষাকে পুঁজি করে নিষেধাজ্ঞার মধ্যেও কৌশলে বিভিন্ন রুটে চলছে দূরপাল্লার বাস।
আবার জেলার বাস এবং বিভিন্ন ছোট যানবাহন, এমনকি পণ্যের ট্রাক বা পিকআপে চড়েও অনেকে ঢাকার দিক থেকে ভেঙে ভেঙে শিমুলিয়ায় আসছেন। পদ্মা পার হয়ে দক্ষিণের বিভিন্ন জেলায় যেতে চান তারা। ঢাকা থেকে দক্ষিণের লঞ্চ বন্ধ থাকায় সেসব পথের যাত্রীরাও নিষেধ না মেনে শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি হয়ে বাড়ি যেতে চাইছেন।
মুন্সীগঞ্জের জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. মনিরুজ্জামান তালুকদার বলেন, করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঝুঁকি থেকে মানুষকে রক্ষায় ঈদে যার যার কর্মস্থলের এলাকায় থাকতে বলা হয়েছে।
অপরদিকে ঈদকে সামনে রেখে গত দুদিন ধরেই ঢাকা ছাড়ছে মানুষ। এ কারণে শনিবার সকাল থেকে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার টাঙ্গাইলের ঢাকা-টাঙ্গাইল-বঙ্গবন্ধু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। করোনাভাইরাস সংক্রমণের বিস্তার রোধে লকডাউনের মধ্যে দূরপাল্লার বাস চলাচলে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। কিন্তু সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করেই উত্তরের পথে দূরপাল্লার গণপরিবহন চলছে গভীর রাত থেকে ভোর পর্যন্ত। গতকাল রবিবার সকাল ৭টা থেকে ৯টা পর্যন্ত মহাসড়কের এলেঙ্গা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা অন্তত পাঁচটি দূরপাল্লার যাত্রাবাহী বাস ঢাকার দিকে যেতে দেখা গেছে। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে দূরপাল্লার গণপরিবহন আর চোখে পড়ে না। তখন মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেল, সিএনজিচালিত অটোরিকশা আর পণ্যবাহী গাড়ির দখলে চলে যায় মহাসড়কটি। আর এ সকল যানবাহনে গাদাগাদি করে মানুষ বাড়ি ফিরছে। রংপুর থেকে ঢাকাগামী দূরপাল্লার এক চালকের (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) কাছে নিষেধাজ্ঞার মধ্যে গাড়ি চালানোর কারণ জানতে চাইলে বলেন, ‘ভাই আমাদের কী পরিবার নাই, আমরা কী করে চলমু বলেন?’
কুড়িগ্রাম থেকে ছেড়ে আসা সিনাøিগ্ধা পরিবহনের শ্রমিক (নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক) বলেন, ‘আমারাও তো মানুষ, সব চলতেছে শুধু গণপরিবহন বন্ধ কেন ভাই? আমাদেরও তো পেট আছে, আমরা কি করে চলমু আপনারাই কন।’ একই কথা জানালেন ঢাকা সিটি সার্ভিস অনাবিল পরিবহনের চালকও। দূরপাল্লার বাস চলাচলের বিষয়ে জানতে চাইলে উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইয়াসির আরাফাত বলেন, ‘আইন অমান্য করে কেউ যানবাহন চালালে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’
অপরদিকে পুলিশের কারণে ভাড়া বেশি নেয়া হয় বলে গাড়ির চালকরা জানিয়েছে। এক মাইক্রোবাসের চালক বলেন, ‘চন্দ্রা মোড়ে কয়েক রকমের পুলিশ থাকে। সবাই আলাদা আলাদা টাকা চায়। তার মধ্যে হাইওয়ে পুলিশ বেশি বিরক্ত করে। এখানে যাতে যাত্রী ওঠাতে পারি, তার জন্য হাইওয়ে পুলিশকে এক হাজার টাকা দিয়েছি। সকালে এখানে ২০ থেকে ২৫টি মাইক্রোবাস জমা হয়েছে। সবাইকে কমপক্ষে এক হাজার টাকা করে দিতে হয়েছে। যার কারণে যাত্রীদের কাছ থেকে একটু বেশি ভাড়া নেয়া হচ্ছে।’ গাজীপুরের শালনা (কোনাবাড়ি) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক বলেন, আরিচাঘাটে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় গত রাত থেকে চন্দ্রা এলাকা দিয়ে যানবাহন চলাচল বেশ বেড়েছে। তবে যানবাহন স্বাভাবিকভাবে চলছে। যানবাহন থেকে পুলিশের টাকা নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, কোনো পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা