1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে সাড়ে চার লক্ষ সম্ভ্রম হারা মা-বোন ও ৩০ লক্ষ শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা! - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৪৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিবচরে দয়াল বাবা হালিম ফকির(রহ্) এবং মজিদ ফকির এর বাৎসরিক উরসে ভক্তদের ঢল বেলকুচিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন নড়াইলে কুড়ির ডোপ মাঠে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে লাখো প্রদীপ জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ পাঁচবিবিতে চাঞ্চল্যকর আবু হাসান হত্যা মামলার পলাতক আসামী আমিনা বেগম গ্রেফতার পাঁচবিবিতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার পাঁচবিবিতে যথাযোগ্য মর্যদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ধামইরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পাঁচবিবির বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫ তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা নড়াইল পুলিশ লাইনস্ স্কুলে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পাঁচবিবিতে ঘরবাড়ি ছাড়া ১৭বছর যাবত রেল স্টেশনে থাকেন- আবুল কালাম

৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধে সাড়ে চার লক্ষ সম্ভ্রম হারা মা-বোন ও ৩০ লক্ষ শহীদের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা!

প্রশাসন
  • সময় : বুধবার, ১৫ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১২৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার; এস আর টুটুল এম এল!

মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী মুজিব আদর্শ বাদী সংগ্রামী মুজিব সেনাদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তানোর- তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি রইচ উদ্দিন বাচ্চু।

মহান স্বাধীনতার ৫০তম বর্ষপূর্তিতে ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীতে বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানসহ’ সাড়ে চার লক্ষ সম্ভ্রম হারা মা-বোন ও ৩০ লক্ষ শহীদ ভাইয়ের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করছেন রাজশাহীর তানোর ৫নং তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি, জননেতা রইচ উদ্দিন বাচ্চু।

আজ ১৫ই ডিসেম্বর (বুধবার) মহান বিজয় দিবসের পূর্বে সন্ধা-রজনীতে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী ও মুজিব আদর্শ বাদী সর্ব-শ্রেণি পেশার মানুষকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তালন্দ ইউনিয়ন আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি, জননেতা রইচ উদ্দিন বাচ্চু।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধে সম্ভ্রম হারানো সাড়ে চার লক্ষ মা-বোন ও ৩০ লক্ষ শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিনি বলেন;

আজ থেকে ৫০ বছর আগে পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি জাতি এই কাঙ্খিত স্বাধীনতা অর্জন করে। বিশ্বের মানচিত্রে জন্ম লাভ করে বাংলাদেশ নামে নতুন রাষ্ট্র।

স্বাধীনতা দিবস, এই দিনটি বাঙালি জাতির সংগ্রামমুখর জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন। ১৯৭১ সালের এই দিন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা, সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন।

এবারের স্বাধীনতা দিবসের বিশেষ তাৎপর্য হচ্ছে, এ বছর স্বাধীনতার ৫০ বছর, রাষ্ট্রীয়ভাবে উদযাপিত হচ্ছে স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তী। এ উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানরা ধারাবাহিকভাবে বাংলাদেশে আসছেন।

অংশ নিচ্ছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী মুজিববর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর যৌথ অনুষ্ঠানে। গত ১৭ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ১০ দিন ব্যপী বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। তবে সুবর্ণ জয়ন্তীর উদযাপন উপলক্ষে আগামী ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবস পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচি আয়োজন করা হবে।
১৭৫৭ সালে পলাশীর প্রান্তরে বাংলার স্বাধীনতার সূর্য অস্তমিত যাওয়ার পর দীর্ঘ ১৯০ বছরে ব্রিটিশ ঔপনিবেশিক শাসন শোষণ ও নির্যাতনের হাত থেকে ১৯৪৭ সালে ভারতীয় উপমহাদেশের মানুষ মুক্তি পেলেও পূর্ব বাংলার বাঙালির ওপর জেঁকে বসে নতুন জান্তা। ধর্মের ভিত্তিতে তৈরি জিন্নাহর ভ্রান্ত দ্বিজাতি তত্ত্বের ওপর ভিত্তি করে ভারত থেকে আলাদা হয়ে পাকিস্তান নামের একটি অসম রাষ্ট্রের জন্ম হয়। এর মধ্য দিয়ে শুরু থেকে বাঙালির জীবনে আবারও নেমে আসে শোষণ, অত্যাচার, নির্যাতনের স্টিম রোলার। ব্রিটিশ শাসনের হাত থেকে স্বাধীন হলেও এই ভূখণ্ডের বাঙালি আবার পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ হয়ে পড়ে।

তবে থেমে থাকেনি বাঙালি জাতি। ঔপনিবেশিক পাকিস্তানের পরাধীনতার শৃঙ্খলে আবদ্ধ বাঙালি জাতি শুরু থেকেই অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নামে। পাকিস্তানের শৃঙ্খল ভেঙে বেরিয়ে আসতে ধাপে ধাপে আন্দোলন গড়ে ওঠে। মাহন ভাষা আন্দোলন, ৫৪ যুক্তফ্রন্ট নির্বাচন, ৬২ শিক্ষা আন্দোলন, ৬ দফা, ৬৯ এর গণঅভ্যুত্থান, ৭০- এর নির্বাচনসহ দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছরের ধারাবাহিক আন্দোলনের মধ্য দিয়ে জাতি ৭১ সালে এসে উপনীত হয়। অত্যাচার নিপীড়নের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক আন্দোলন স্বাধীকার ও স্বাধীনতার আন্দোলনে পরিণত হয়। আর বাঙালির এ আন্দোলনকে এগিয়ে নেওয়ার অগ্রণী ভূমিকা পালন করেন শেখ মুজিবুর রহমান। পাকিস্তানের অত্যাচার নির্যাতনের বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগ্রামের এক পর্যায়ে এ স্বাধীকার ও স্বাধীনতা আন্দোলনের নেতৃত্বে আসেন শেখ মুজিবুর রহমান। ধারাবাহিক আন্দোলনকে স্বাধীনতার দিকে অগ্রসর করে নিয়ে শেখ মুজিব হয়ে ওঠেন বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা। আন্দোলনের নেতৃত্ব দিতে গিয়ে এক পর্যায়ে তিনি ভূষিত হন ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধিতে।

অপরিসীম সাহস, দৃঢ়চেতা মনোভাব ও আপসহীন নেতৃত্ব দিয়ে বঙ্গন্ধু পরাধীন বাঙালি জাতিকে সংগ্রামী হওয়ার প্রেরণা যুগিয়েছিলেন। সত্তরের নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশ সংখ্যা গরিষ্ঠতা অর্জন করলেও পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠী জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধির কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরে অস্বীকার করে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের (তৎকালীন রেসকোর্স) বক্তব্যে বাঙালির মধ্যে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলে স্বাধীনতা অর্জনে পাকিস্তানিদের বিরুদ্ধে মরণপণ সশস্ত্র যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়তে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছিলেন তিনি। ৭ মার্চের ভাষণে তিনি বাঙালি জাতিকে মুক্তিযুদ্ধের জন্য প্রস্তুত থাকার চূড়ান্ত নির্দেশ দেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে সর্বস্তরের মানুষ মুক্তিযুদ্ধের প্রস্তুতি নিতে থাকে। শুরু হয় অসহযোগ আন্দোলন। আর পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী আলোচনার নামে প্রহসন চালাতে থাকে।

এর এক পর্যায়ে ২৫ মার্চ কালরাত্রিতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী আধুনিক অস্ত্র শস্ত্রে সজ্জিত হয়ে নিরস্ত্র বাঙালির ওপর আক্রমণ শুরু করে। অপারেশন সার্চ লাইটের নামে শুরু করে নির্বিচারে গণহত্যা। এই গণহত্যা শুরু হওয়ার পরপরই ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণা করেন এবং মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ার আহ্বান জানান। এই ঘোষণার বিশ্বের মানচিত্রে অভ্যুদয় ঘটে একটি স্বাধীন, সার্বভৌম বাংলাদেশ রাষ্ট্রের। তাৎক্ষণিকভাবে বঙ্গবন্ধুকে গ্রেফতার করে নিয়ে যাওয়া হয়।

বঙ্গবন্ধুর আহ্বানে সাড়া দিয়ে বাংলার সর্বস্তরের মানুষ জাতি, ধর্ম, বর্ণ নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে। শুধু এ দেশের জনগণই নয়, আক্রান্ত জাতি ও সদ্য স্বাধীন বাংলাদেশের পাশে এসে দাঁড়ায় এবং বাংলাদেশের পক্ষে সরাসরি যুদ্ধে অংশ নেয় প্রতিবেশী দেশ ভারত। মুক্তিযুদ্ধে অস্ত্র, আশ্রয় ও খাদ্য দিয়ে সহায়তা করে ভারত। এই সময় আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে আন্তর্জাতিক পরিসরে বিশাল ভূমিকা রাখে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন (রাশ

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা