1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
রাজশাহী মহানগর ও জেলা আ'লীগে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, নেতৃত্ব নিয়ে চলছে গুনজন! - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৪:২৬ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ কর্তৃক ৭২কেজি গাঁজাসহ মাদক সম্রাট মনির গ্রেপ্তার ময়মনসিংহের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম পদকে ভূষিত হয়েছেন পাঁচবিবিতে এক স্কুল শিক্ষকের বেশ কয়েকটি মেহগনি গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা জামালপুরে রুই মাছের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং কাশিমপুর থানা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোশাররফ মৃধার ইন্তেকাল ঠাকুরগাঁও জমে উঠেছে জেলা পরিষদ নির্বাচন ঠাকুরগাঁওয়ে “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের উদ্বোধনী বেলকুচিতে দু বছরেও হয়নি মরিয়ম হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন,মামলা ডিবিতে স্থানান্তর “ধউর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়”র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত পুলিশের সর্বোচ্চ পদক পেলেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান

রাজশাহী মহানগর ও জেলা আ’লীগে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি, নেতৃত্ব নিয়ে চলছে গুনজন!

প্রশাসন
  • সময় : সোমবার, ২০ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৯৭ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার; এস আর টুটুল এম এল।

ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দিয়ে চলছে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের রাজশাহী মহানগর ও জেলা শাখার দুই কমিটি। আগামী কাউন্সিল না হওয়া পর্যন্ত মহানগরে প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল এবং জেলা আওয়ামী লীগে, অনিল কুমার সরকার দায়িত্ব পালন করে যাবেন। তবে দুই ভারপ্রাপ্ত সভাপতি দলকে এতোটা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন, তা নিয়ে দলের মধ্যেই রয়েছে নানা গুঞ্জন। অপরদিকে আগামীতে আ’লীগের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে কারা আসতে পারেন-তা নিয়ে শুরু হয়েছে নানান জল্পনা-কল্পনা।

বিশেষ করে রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের মতো গুরুত্বপূর্ণ একটি সংগঠনের সভাপতি পদে প্রভাবশালী নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে না পারলে, একসমেয় বিএনপি-জামায়াতের ঘাটি হিসেবে পরিচিত রাজশাহীতে আবারও স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তি মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। সে ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সামাল দিতে দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটন পরিবার থেকেই সভাপতি পদটি আসার সম্ভাবনা রয়েছে বলে একাধিক রাজনৈতিক সচেতন মহল মনে করেন। এবিষয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার লোককজনও মাঠে নেমেছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারনা।

অন্যদিকে রাজশাহী জেলা আ’লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন প্রবীণ আওয়ামী লীগ নেতা, বাগমারা উপজেলা চেয়ারম্যান অনিল কুমার সরকার। তিনি সংগঠনটির সহ-সভাপতি ছিলেন।

দলীয় সূত্র মতে, গত বছরের ১ মার্চ রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওইদিন শুধুমাত্র সিটি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে সভাপতি ও ডাবলু সরকারকে সাধারণ সম্পাদক করে আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এর পর ওই বছরের ২৩ নভেম্বর ৭১ সদস্য বিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। এর মধ্যে তিন বছর মেয়াদী এ কমিটির সভাপতি মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে গত ২৭ নভেম্বর কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য নিযুক্ত করার পর থেকে, পদটিতে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ আলী কামাল।

তৃণমূলের একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন, প্রবীন আওয়ামী লীগ নেতা মোহাম্মদ আলী কামাল রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগের মতো সংগঠন নেতৃত্ব দিয়ে দলকে কতটা সক্রিয় রাখতে পারবেন-তা নিয়ে রয়েছে যেমন সংশয়, তেমনি আগামীতে সদ্য সাবেক সভাপতি এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনের মতো প্রভাবশালী নেতৃত্ব তৈরী করতে না পারলে এর মাশুল গুনতে হবে মহানগর আওয়ামী লীগকে। বিশেষ করে এখানে আবারো বিএনপি-জামায়াতের উত্থান হতে পার।
এ অবস্থায় আগামী কাউন্সিলে লিটন পরিবার থেকেই কাউকে সভাপতি করা যায় কিনা সে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থাও মাঠে নেমেছে বলে জানা গেছে।

জানতে চাইলে রাজশাহী মহানগর আওয়াম লীগের সাধারণ সম্পাদক ডাবলু সরকার বলেন; ‘সভাপতির অনেক দায়িত্ব, তবে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অনেকটা প্রবীন হওয়ায় এখন আমার ওপর অনেক চাপ বেড়েছে। তবে দলের জন্য সবাই মিলে আমরা কাজ করছি।’

এদিকে ২০১৯ইং সালের ৮ ডিসেম্বর রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ওই সম্মেলনে সভাপতি হিসেবে রাজশাহী-৩ আসনের সাবেক এমপি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা এব রাজশাহী-৫ আসনের সাবেক এমপি কাজী আবদুল ওয়াদুদ দারাকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয়।
এছাড়া বাঘা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান লায়েব উদ্দিন লাভলু এবং রাজশাহী-৩ আসনের এমপি আয়েন উদ্দিনকে যুগ্ম-সম্পাদক করা হয়। এই আংশিক কমিটি ঘোষণার পরে চলতি বছরের ৩ ফেব্রুয়ারি ৭১ সদস্যের পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন দেয় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ।

এরই মধ্যে গত ৯ মে মারা যান জেলার সভাপতি মেরাজ উদ্দিন মোল্লা। এর পর তাঁর স্থলে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন সহ-সভাপতি অনিল কুমার সরকার।
দলীয় সূত্র মতে, অনিল কুমার সরকার মূলত বাগমারাকেন্দ্রীক রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। ফলে তাঁকে দিয়ে পুরো জেলার দায়িত্ব পালন করানো অনেকটা কঠিন হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় আগামীতে প্রভাবশালী কোনো নেত্বত্বের কথা চিন্তা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। দলের উচ্চ পর্যায় থেকেও সে ধরনের বার্তা দেয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছে একাধিক সূত্র।

জানতে চাইলে রাজশাহী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল ওয়াদুদ দারা বলেন, ‘আওয়ামী লীগের গঠণতন্ত্র অনুযায়ী কোনো পদ শূন্য হলে পরবর্তি সম্মেলন পর্যন্ত ক্রমানুসারে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বা সাধারণ সম্পাদক দিয়ে চলবে। সেই হিসেবে আগামী সম্মেলন পর্যন্ত বর্তমান ভারপ্রাপ্ত সভাপতিই দায়িত্ব পালন করবেন। তবে আমরা সবাই মিলে একসাথে কাজ করছি।’

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা