1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বিনম্র শ্রদ্ধা ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস। - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১২:৪৯ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মসিকের উদ্যোগে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে যুবলীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন জামালপুরে দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক আলোচনা সভা পটুয়াখালীতে আংশিক কমিটি দিয়েই চলছে জেলা যুবলীগ গৌরীপুরে দু’ভবনের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ফলক পড়ে আছে হোটেলের ফ্লোরে বিপিএম পদক পেলেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম শেরপুর জেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয় নড়াইলের লোহাগড়ায় ৪ বছরের শিশুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগে সৎ মা পুলিশ হেফাজতে পাঁচবিবিতে মহিলা আওয়ামীলীগের ৫৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

বিনম্র শ্রদ্ধা ১৪ ডিসেম্বর, শহীদ বুদ্ধিজীবী দিবস।

প্রশাসন
  • সময় : মঙ্গলবার, ১৪ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৩৬ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টারঃ মোঃ সাহাজুদ্দিন সরকার সুমন ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী তাদের এদেশীয় সহযোগীদের সহায়তায় আমাদের বুদ্ধিজীবীদের একটি বড় অংশকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। সে বছর মার্চ মাসে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা–মুহূর্তেও তারা অনেক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করেছিল। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের এটি একটি বিশেষ তাৎপর্যময় দিক: পাকিস্তানি শাসকেরা বাঙালি বুদ্ধিজীবীদের বেছে বেছে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছিল আমাদের বুদ্ধিবৃত্তিকভাবে নিঃস্ব করার দুরভিসন্ধি থেকে।

১৯৭১ সালে আমাদের বিজয়ের আগমুহূর্তে যখন দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে পারে যে তাদের পরাজয় অনিবার্য, তখন তারা তালিকা করে জাতির বরেণ্য সন্তানদের হত্যার জন্য ঘাতক বাহিনী আলবদর-আলশামসকে লেলিয়ে দেয়। তারা মার্চের নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি করে ডিসেম্বরে; পরাজয়ের আগমুহর্তে চূড়ান্ত আঘাত হানে অদূর ভবিষ্যতের স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করার অভিপ্রায়ে। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহর থেকে বিজয়ের আগমুহূর্ত পর্যন্ত যেসব বরেণ্য বুদ্ধিজীবীকে আমরা হারিয়েছি, তাঁদের মধ্যে আছেন ♠অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, ♠মুনীর চৌধুরী, ♠জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ♠ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, ♠রাশীদুল হাসান, ♠ড. আনোয়ার পাশা, ♠সিরাজুদ্দীন হোসেন, ♠শহীদুল্লা কায়সার, ♠নিজামুদ্দীন আহমদ, ♠গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ♠ডা. ফজলে রাব্বী, ♠ডা. আলীম চৌধুরী, ♠আ ন ম গোলাম মোস্তফা, ♠সেলিনা পারভীন প্রমুখ ।
মোট ৯৯১ জন শিক্ষাবিদ, ১৩ জন সাংবাদিক, ৪৯ জন চিকিৎসক, ৪২ জন আইনজীবী, ৯ জন সাহিত্যিক ও
৫ জন প্রকৌশলী সহ..জাতির ১,১১১ জন শ্রেষ্ঠ সন্তানদের হারানোর দিন ।

পাকিস্তানি দুঃশাসনের দিনগুলোতে আমাদের লেখক, সাংবাদিক, শিল্পী ও বুদ্ধিজীবীরা বিবেকের কণ্ঠস্বর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন, তাঁরা অন্যায়ের প্রতিবাদ করেছেন। নিজেদের জ্ঞান-মনীষা ও অধ্যবসায়ের মাধ্যমে জাতিকে পথ দেখিয়েছেন, আলোকিত করেছেন। এসব কারণেই তাঁরা পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের দোসরদের জিঘাংসার শিকার হয়েছেন। এত কম সময়ে এত বেশিসংখ্যক বুদ্ধিজীবী নিধনের উদাহরণ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া আর কখনো ঘটেনি।

১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবীদের হত্যা ছিল মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ। দীর্ঘ অপেক্ষার পর বুদ্ধিজীবী হত্যায় জড়িত কয়েকজন শীর্ষ অপরাধীর বিচার ও শাস্তি কার্যকর হয়েছে। বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে দেশ বেরিয়ে আসতে পেরেছে। এটি জাতির জন্য স্বস্তিকর। কিন্তু অস্বস্তির বিষয় হলো আদালতের রায়ে সর্বোচ্চ শাস্তিপ্রাপ্ত বিদেশে পলাতক আলবদর কমান্ডার চৌধুরী মঈনুদ্দীন ও আশরাফুজ্জামানের শাস্তি কার্যকর করা সম্ভব হয়নি। তাঁরা যে বুদ্ধিজীবী হত্যার মূল হোতা ছিলেন, তা আদালতের রায়েও বেরিয়ে এসেছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত-২-এর বিচারপতি ওবায়দুল হাসান তাঁর রায়ের পর্যবেক্ষণে এই দুই ঘাতকের নির্মমতার যে চিত্র তুলে ধরেছিলেন, তা এককথায় রোমহর্ষক। আশরাফুজ্জামান বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে ও চৌধুরী মঈনুদ্দীন যুক্তরাজ্যে বসবাস করছেন। যেসব রাষ্ট্র নিজেদের মানবতা ও ন্যায়বিচারের রক্ষক বলে দাবি করে, তারা কীভাবে এ ঘৃণ্য ঘাতকদের আশ্রয় দেয়? তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের পক্ষ থেকে কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার করা প্রয়োজন।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা