1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
বিজয়ের ৫০তম বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২নং বাধাঁইড় ইউপিতে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৩:৩২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
জয়পুরহাট র‌্যাব-৫ কর্তৃক ৭২কেজি গাঁজাসহ মাদক সম্রাট মনির গ্রেপ্তার ময়মনসিংহের অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ মহিবুল ইসলাম খান বিপিএম পদকে ভূষিত হয়েছেন পাঁচবিবিতে এক স্কুল শিক্ষকের বেশ কয়েকটি মেহগনি গাছ কেটে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা জামালপুরে রুই মাছের পূর্ণাঙ্গ জিনোম সিকোয়েন্সিং কাশিমপুর থানা আওয়ামী লীগের কোষাধ্যক্ষ মোশাররফ মৃধার ইন্তেকাল ঠাকুরগাঁও জমে উঠেছে জেলা পরিষদ নির্বাচন ঠাকুরগাঁওয়ে “আত্মকথন” শীর্ষক ভিডিওচিত্র সংকলনের উদ্বোধনী বেলকুচিতে দু বছরেও হয়নি মরিয়ম হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটন,মামলা ডিবিতে স্থানান্তর “ধউর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়”র বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত পুলিশের সর্বোচ্চ পদক পেলেন লেফটেন্যান্ট কমান্ডার রাকিব মাহমুদ খান

বিজয়ের ৫০তম বার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে ২নং বাধাঁইড় ইউপিতে ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

প্রশাসন
  • সময় : বুধবার, ২২ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১৩৩ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার; এস আর টুটুল এম এল!

রাজশাহীর তানোর উপজেলার ২নং বাধাঁইড় ইউনিয়নের ঘোলকান্দর আদর্শ সংঘ (জিএমসি) এর উদ্যোগে বিজয় দিবস-২০২১ইং ও (স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী) উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী ক্রীড়া প্রতিযোগীতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সম্পূর্ণ হয়েছে।

আজ ২১ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) রাজশাহী-৫২’ তানোর, গোদাগাড়ী-১’ জাতীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষ থেকে, তানোর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি-জননন্দিত জননেতা জনাব মোঃ লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না, প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং বিজয়ীদের মধ্যে পুরুস্কার বিতরণ করেন।

এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ২নং বাধাঁইড় ইউপিতে ⛵ নৌকা প্রতীকে দ্বিতীয় বার নির্বাচিত চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণত সম্পাদক জননেতা আতাউর রহমান।
আরও উপস্থিত ছিলেন, বিশিষ্ট সমাজ সেবক জনাব রবিউল ইসলাম মাস্টার, কামাল উদ্দিন ও ইউপি সদস্য আব্দুল মালেক প্রমুখ।
এছাড়াও স্থানিয় আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগসহ, সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

এসময় সাংসদ প্রতিনিধি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না বলেন; মাদকের মতো সামাজিক, মানসিক নানাবিধ সমস্যা, জটিল ও কঠিন মরণ ব্যাধি থেকে আত্মরক্ষায় নিয়মিত শরীরচর্চা খেলাধুলা ও বিনোদন মাদক মুক্ত থাকার অন্যতম উপায়।

মানুষের জীবন একটাই আবার মৃত্যুও সুনিশ্চিত। তাই মৃত্যুর আগে মাদকমুক্ত জীবন গড়ে সুস্থ ও সুন্দর জীবন যাপনই সবার কাম্য।
আর দুনিয়ার সভ্য ও সুশীল সমাজ আজ এ কথা বলতে দ্বিধা করছে না যে, মাদককে এড়িয়ে চলুন; বরং তারা সভা-সমাবেশ ও খেলাধুলা বিভিন্ন বিনোদন এবং র্যালিসহ, সামাজিক নানাবিধ কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের মাধ্যমে মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

(মাদক এক ভয়াবহ ব্যাধি) এমন কোনো অপকর্ম নেই যে, যারা মাদক গ্রহণে অভ্যস্ত, তারা তা করতে পারে না। মাদকাসক্ত ব্যক্তি কখনো পেটের ক্ষুধা নিয়ে ভাবে না, বরং মাদক গ্রহণ করতে পারলো কিনা সেটিই হয়ে ওঠে তাদের নিকট মূল বিষয়।

যে কারণে মাদকের টাকা সংগ্রহ করতে গিয়ে নেশাগ্রস্ত ব্যক্তিরা মাদকের টাকার জন্য চুরি, ছিনতাই, নারী নির্যাতনসহ, নানান-রকম সামাজিক অপরাধে নিয়োজিত হতে বিন্দুমাত্র চিন্তা করে না। এমনকি মাদকের টাকার জন্য কাউকে খুন করতেও তাদের হাত কাঁপে না।

তাদের উদ্দেশ্য একটাই যে কোনো কিছুর বিনিময়ে তাদের মাদক পেতেই হবে। মাদক সেবন করতেই হবে। আর এভাবেই মাদকের প্রভাবে বেড়ে চলেছে সামাজিক বিশৃঙ্ক্ষলাসহ নানাবিধ জটিল এবং কঠিন মরণ ব্যাধির প্রকোপ।
দেশের ভবিষ্যত আগামী দিনে নতুন প্রজন্মেকে মাদক মুক্ত সুস্থ সুন্দর ও সুশিক্ষিত জাতি হিসেবে গড়েতুলতে সুশীল সমাজ ও জনসচেতনতামূলক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো অবিরাম প্রচেষ্টা অব্যহত রেখেছে।
সমাজিক সভা-সমাবেশ, সেমিনার, সিম্পোজিয়াম,পারিবারিক প্রচেষ্টা, ধর্মীয় অনুশাসনই মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের ইতিবাচক উপায়।

আবার পরিবারে পিতা-মাতা ও কর্তা ব্যক্তিরা তাদের সন্তানকে ধর্মীয় অনুশাসনে বড় করার পাশাপাশি অন্যায় ও নিষিদ্ধ জিনিসের ভয়াবহতা সম্পর্কে তাঁদেরকে অবহিত করাও আবশ্যক। এক্ষেত্রে বাবা-মার সচেতনার কোনো বিকল্প নেই।

কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে-এমন অনেক পরিবার রয়েছে, যাদের বাবা মাদকের সঙ্গে জড়িত এমনকি মাও জড়িত। এ সব বাবা-মা আবার তাদের সন্তানকে দিয়ে মাদকের ব্যবহার ও ব্যবসায় অন্তর্ভূক্ত করে। আবার অনেক সন্তান তার মা-বাবা মাদকের সংশ্লিষ্টতা দেখে ধীরে ধীরে মাদক গ্রহণের প্রতি উদ্বুদ্ধ হয়।

বিশেষ করে-মাদকের সহজলভ্যতা, মাদকের ক্ষেত্রে আইনের যথাযথ ব্যবহার না থাকা, রাষ্ট্রীয়ভাবে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের অভাবে দিন দিন মাদকের ব্যবহার ও এ সংক্রান্ত অপরাধ বেড়েই চলছে। যার ভয়াবহ পরিণতির স্বীকার হচ্ছে দেশের তরুণ সমাজ।

সুতরাং প্রতি বছর শুধুমাত্র মাদক দিবসে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে জনসচেতনা বৃদ্ধি ব্যর্থ চেষ্টা না করে নিয়মিতভাবে গণমাধ্যমে মাদকের কুফল ও ভয়াবহতা প্রচার ও বাস্তবায়নে সরকারিভাবে কাজ করার পাশাপাশি ব্যক্তি, পরিবার, সমাজের যথাযথ দায়িত্ব পালন করাও জরুরি।

দেশব্যাপী সব মসজিদের ইমাম ও খতিবদের মাধ্যমে কুরআন ও হাদিসের দৃষ্টিতে মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরা, উন্মুক্ত জায়গায় ধূমপান ও নেশাজাতীয় দ্রব্য গ্রহণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের সচেতন নাগরিকদের নৈতিক ও ঈমানি দায়িত্ব।

যেহেতু মাদকমুক্ত সমাজই আমাদের সবার কাম্য। তাই আসুন, মাদকমুক্ত জীবন গড়ি। মাদক ও নেশা পরিহার করে সামাজিক সব অবক্ষয় ও নানাবিদ মরণব্যাধি থেকে দেশ ও জাতির আত্মরক্ষায় দেশের প্রতিটি মানুষ ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন এক সঙ্গে মাদকের ভয়াবহতা ও কুফল সমাজের সর্বত্র তুলে ধরি। মাদকমুক্ত সুন্দর ও শান্তিময় সমাজ গড়তে আমি আপনাদের যে কোনো কার্যক্রমের সার্বিক সহযোগিতা অব্যাহত রাখব।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা