1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
তানোরে ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে! - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:২২ অপরাহ্ন
শনিবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:২২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
ভোলার আলোচিত মাদক কারবারি বিয়ারসহ আটক নাগেশ্বরীতে ২০০ পরিবারকে এক মাসের শুকনো খাবার বিতরণ পাঁচবিবি গোহাটি আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওঃ আঃ গফুর সাহেবের ইন্তকাল মুক্তাগাছায় কৃষকের মাঠে যুবকের লাশ ‘সেবার ব্রতে চাকরি’—এই শ্লোগানে শেরপুরে টিআরসি নিয়োগ কার্যক্রমের ৩ য় দিন সম্পন্ন পটুয়াখালী পৌরসভা নির্বাচনে প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ ; প্রচারণা শুরু নড়াইল ডিবি পুলিশের অভিযানে ৯৫ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার ৩ হারিয়ে যাওয়া ২০টি মোবাইল নড়াইলে প্রকৃত মালিকদের নিকট হস্তান্তর শিবচরের এক্সপ্রেসওয়েতে বাস ট্রাকের সংঘর্ষ নিহত ৪ কালিয়াকৈরে ফার্মেসী ভাঙচুর ইউএনও’র বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের মানববন্ধন

তানোরে ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত হয়েছে!

প্রশাসন
  • সময় : বুধবার, ৫ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১১৮ বার পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার; এস আর টুটুল এম এল।

রাজশাহীর তানোরে শিক্ষা শান্তি ও প্রগতির শ্লোগানের পতাকাবাহী ঐতিহ্যবাহী ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে।

জানা গেছে, ৪ জানুয়ারী (মঙ্গলবার) তানোর উপজেলা ছাত্রলীগের উদ্যোগে ও কলমা ইউনিয়ন (ইউপি) ছাত্রলীগের সভাপতি মোর্শেদুল মোমেনিন রিয়াদের সভাপতিত্বে, তানোর গোল্লাপাড়া বাজার আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ে
মোমবাতি প্রজ্বালন, দোয়া ও কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়।

স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব ওমর ফারুক চৌধুরীর পক্ষে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন; তানোর উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান লুৎফর হায়দার রশিদ ময়না। আরো উপস্থিত
ছিলেন; তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক জিল্লুর রহমান, তানোর পৌরসভা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কালাম আজাদ (প্রদীপ) সরকার, পৌর আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ওয়াজির হাসান (প্রতাপ) সরকার, বাধাঁইড় ইউপি চেয়ারম্যান আতাউর রহমান, তানোর উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক- শাওন, মাহাবুর রহমান মাহাম, সজিব
ও শামসুল ইসলাম প্রমুখ।

ছাত্রলীগের ৭৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ময়না চেয়ারম্যান বলেনঃ স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সবসময় বলতেন, ‘ছাত্রলীগের ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাস। বাংলা, বাঙালি, স্বাধীনতা ও স্বাধিকার অর্জনের লক্ষে ১৯৪৮ সালের ৪-জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফজলুল হক হলের অ্যাসেম্বলি হলে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের প্রতিষ্ঠা করেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রতিষ্ঠার সময় ছিল পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগ। পরবর্তী সময়ে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যুদ্ধের পর পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগের পরিবর্তে হয় বাংলাদেশ ছাত্রলীগ।

তৎকালীন তরুণ নেতা শেখ মুজিবুর রহমানের প্রেরণায় ও পৃষ্ঠপোষকতায় একঝাঁক সূর্যবিজয়ী স্বাধীনতাপ্রেমী তারুণ্যের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয় এশিয়া মহাদেশের ‘বৃহত্তম’ ছাত্র সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭২ বছরের ইতিহাস জাতির মুক্তির স্বপ্ন, সাধনা এবং সংগ্রামকে বাস্তবে রূপদানের ইতিহাস।

হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী লীগ প্রতিষ্ঠার আগে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।

১৯৪৮ সালের ৪-জানুয়ারি বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠার পর সর্বপ্রথম মাতৃভাষা বাংলার জন্য সংগ্রাম করেছিল।

আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের গৌরবোজ্জল ভূমিকা ছিল। বাংলা ভাষার জন্য প্রাণ দিতে হয়েছিল অনেক ছাত্রনেতাকে।
তারপর আমরা আমাদের ভাষা হিসেবে বাংলাকে পেয়েছি।

১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল।
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট নির্বাচনে সর্বকনিষ্ঠ মন্ত্রী ছিলেন, যাতে ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর ভ্যানগার্ড ছিল। ১৯৬২ সালের শিক্ষা আন্দোলনে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের অগ্রণী ভূমিকা ছিল। তৎকালীন সরকারের বিরুদ্ধে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা দুর্বার ছাত্র আন্দোলন গড়ে, তোলে যা বাংলাদেশের ইতিহাস থেকে কেউ মুছে ফেলতে পারবে না।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৬৬ সালের ৬ দফা দাবি দিয়েছিলেন, যা ছিল বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ। এর পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার আন্দোলন বেগমান হয়। তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের সাহসী আন্দোলনে বঙ্গবন্ধুকে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছিল।

১৯৬৯ সালে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান ছাত্রলীগের ঐতিহাসিক ভূমিকা ছিল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ১৯৬৯ সালে বাংলার ছাত্রসমাজ সারাদেশে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তোলে, যা গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ বাংলার ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে শেখ মুজিবুর রহমানকে ‘বঙ্গবন্ধু’ উপাধি দেন, যা ১৯৭১ সালের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের গতিকে ত্বরান্বিত করে।

১৯৭০ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনে তৎকালীন ছাত্রলীগের ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। তখন জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভ্যানগার্ড হিসেবে ছাত্রলীগ কাজ করত। সারা বাংলাদেশে পাকিস্তানের অপশাসনের বিরুদ্ধে দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলে বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে নির্বাচিত করতে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ছাত্রলীগ সবচেয়ে বেশি ভূমিকা পালন করে, যার মধ্য দিয়ে মহান স্বাধীনতাযুদ্ধের গতি ত্বরান্বিত হয়।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছাত্রলীগের হাজার হাজার নেতাকর্মী শহীদ হয়। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে ছাত্রলীগের নেতৃত্বে সারা বাংলাদেশে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। নূরে আলম সিদ্দিকী, তোফায়েল আহমেদ-সহ তৎকালীন ছাত্রলীগ নেতারা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠন করেন। ছাত্রলীগের নেতৃত্বে প্রতিটি জেলায়, উপজেলায়, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। তৎকালীন ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের নেতারা স্বাধীনতাযুদ্ধে প্রত্যক্ষভাবে অংশগ্রহণ করেছিল।

জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ ও যুক্ত করার ক্ষেত্রে ছাত্রলীগের অবদান ছিল সবচেয়ে বেশি। ৩০ লাখ শহীদদের রক্তের মধ্য দিয়ে লাল-সবুজের পতাকা আমরা পেয়েছি, যাতে বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশ একটি দেশ হিসেবে স্থান পেয়েছে।

জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার পর বাংলাদেশ অনেক দূর পিছিয়ে গিয়েছিল। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন থেমে থাকেনি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষে ছাত্রলীগ গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অগ্রণী ভূমিকা রাখে। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ভূমিকা প্রশংসনীয়। গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলনে যুদ্ধাপরাধ মুক্ত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ রাজপথে অগ্রণী ভূমিকা রেখেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা