1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
চৌগাছায় কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে এনজিও ব্যবস্থাপক - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিবচরে দয়াল বাবা হালিম ফকির(রহ্) এবং মজিদ ফকির এর বাৎসরিক উরসে ভক্তদের ঢল বেলকুচিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন নড়াইলে কুড়ির ডোপ মাঠে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে লাখো প্রদীপ জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ পাঁচবিবিতে চাঞ্চল্যকর আবু হাসান হত্যা মামলার পলাতক আসামী আমিনা বেগম গ্রেফতার পাঁচবিবিতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার পাঁচবিবিতে যথাযোগ্য মর্যদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ধামইরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পাঁচবিবির বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫ তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা নড়াইল পুলিশ লাইনস্ স্কুলে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পাঁচবিবিতে ঘরবাড়ি ছাড়া ১৭বছর যাবত রেল স্টেশনে থাকেন- আবুল কালাম

চৌগাছায় কোটি টাকা নিয়ে পালিয়েছে এনজিও ব্যবস্থাপক

প্রশাসন
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২২
  • ১৪২ বার পঠিত

যশোর জেলা প্রতিনিধি (আশরাফুল ইসলাম বাবু)

যশোরের চৌগাছায় নিবন্ধনবিহীন ‘পল্লী অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থা (পিডো)’ নামে একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার এক শাখা ব্যবস্থাপক সংস্থার এক কোটি ২০ লাখ টাকা নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। সংস্থাটির সলুয়া বাজার শাখার হিসাবরক্ষক ও দুইজন মাঠকমী বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেছেন। এর আগে সংস্থাটির আড়পাড়া বাজার শাখার ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধেও একই অভিযোগ ওঠে।

বৃহস্পতিবার বেলা ১২টায় প্রেসক্লাব চৌগাছায় এই সংবাদ সম্মেলন করেন তারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত অভিযোগ পড়ে শুনান সংস্থাটির সলুয়া বাজার শাখার হিসাবরক্ষক সুমন হোসেন। এসময় এই শাখার দুই মাঠকর্মী আদুরী খাতুন এবং মুন্নী খাতুন তার সাথে ছিলেন।

লিখিত অভিযোগে বলা হয় ২০০৯ সালে ‘পল্লী অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থা (পিডো)’ চৌগাছা উপজেলার সলুয়া বাজারে শাখা খুলে আশেপাশের চৌগাছা ও যশোর সদর উপজেলার ১০/১৫টি গ্রামে কার্যক্রম শুরু করে। সংস্থাটির সদস্য সংখ্যা তিন হাজারের বেশি। আমরা সংস্থার সলুয়া বাজার শাখার ব্যবস্থাপক চৌগাছা উপজেলার সৈয়দপুর গ্রামের সবুজ কুমারের কাছ থেকে নিয়োগ প্রাপ্ত হয়ে ডিপিএস, সঞ্চয়, এফডিআর ও সীমিত পরিসরে ঋণ কার্যক্রম পরিচালনা করতাম। আমাদের সাথে ব্যবস্থাপক সবুজ কুমারের স্ত্রীর বড় বোন (জেশ্যালি) শিউলি বালাও মাঠকর্মীর কাজ করতেন। ২০২১ সালের ২৮ ডিসেম্বর পর্যন্তও আমরা সংস্থার কার্যক্রম পরিচালনা করি। এসময় বার্ষিক ক্লোজিং কার্যক্রম চলছিলো। ব্যবস্থাপক সবুজ কুমারও আমারদের সাথে ২৮ ডিসেম্বর অফিস করেন।

২৯ ডিসেম্বর সকালে অফিসে যাওয়ার সময় ব্যবস্থাপকের স্ত্রীর বড় বোন শিউলি বালা মাঠকর্মী আদুরী খাতুনের মোবাইলে কল করে বলেন, ‘দাদাকে পাচ্ছিনা। সে হয়তো কোথাও চলে গেছে। সবাই একটু তাকে খোজ করেন।’ এরপর আমরা মাঠকর্মীরা সবাই মিলে ব্যবস্থাপক সবুজ কুমারের গ্রামের বাড়িতে গেলে দেখতে পাই তার বাড়িতে তালা মারা রয়েছে। বাড়িতে কেউ নেই। তিনি বাবা-মা-স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে পালিয়ে গেছেন। এর দুইদিন পর থেকে সবুজ কুমারের স্ত্রীর বড় বোনকে মোবাইল ফোনে না পেয়ে তার বাবার বাড়ি (যেখানে স্বামী-সন্তান নিয়ে থাকতেন) উপজেলার বাড়িয়ালী গ্রামে গেলে দেখি তিনিও স্বামী-সন্তান নিয়ে পালিয়েছেন। শিউলির বাবা-মা বাড়িতে থাকলেও তারা শিউলি বা অন্য মেয়ের জামাই সবুজ কুমারের কোনো সংবাদ দিতে পারেন নি।

লিখিত বক্তব্যে আরো বলা হয়, গ্রাহকদের বিভিন্ন হিসাবের প্রায় এক কোটি ২০ লক্ষ টাকাসহ ব্যবস্থাপক পালিয়ে যাওয়ার পর সংস্থার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। তার স্ত্রীর বড় বোনও তাদের সাথে যোগসাজোসে পালিয়েছে। আমাদের সাত মাসের বেতন বাকি। এখন গ্রাহকরা তাদের টাকার জন্য আমাদের কাছে পীড়াপীড়ি করছেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা