1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
চট্টগ্রামের "রয়েল হসপিটাল" এর বিরুদ্ধে মুমূর্ষু শিশু কে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ অবশেষে শিশুর মৃত্যু । - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৭:০০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিবচরে দয়াল বাবা হালিম ফকির(রহ্) এবং মজিদ ফকির এর বাৎসরিক উরসে ভক্তদের ঢল বেলকুচিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন নড়াইলে কুড়ির ডোপ মাঠে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে লাখো প্রদীপ জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ পাঁচবিবিতে চাঞ্চল্যকর আবু হাসান হত্যা মামলার পলাতক আসামী আমিনা বেগম গ্রেফতার পাঁচবিবিতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার পাঁচবিবিতে যথাযোগ্য মর্যদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ধামইরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পাঁচবিবির বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫ তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা নড়াইল পুলিশ লাইনস্ স্কুলে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পাঁচবিবিতে ঘরবাড়ি ছাড়া ১৭বছর যাবত রেল স্টেশনে থাকেন- আবুল কালাম

চট্টগ্রামের “রয়েল হসপিটাল” এর বিরুদ্ধে মুমূর্ষু শিশু কে চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগ অবশেষে শিশুর মৃত্যু ।

প্রশাসন
  • সময় : মঙ্গলবার, ৭ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১২৪ বার পঠিত

কামরুল ইসলাম

একটি মুমূর্ষু শিশুকে চট্টগ্রাম রয়েল হসপিটালে ভর্তি নিয়েও ডাক্তার বা নার্স কেউ কোন প্রকার চিকিৎসা দেয়নি বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এই বিষয়ে শিশুটির অভিভাবক জানান গত সোমবারে এই শিশুটিকে চট্টগ্রাম রয়েল হসপিটালে ভর্তি অবস্থায় শিশুটির শারীরিক অবস্থা অবনতি হলে শিশুটির বাবা অন্য হসপিটালে নিয়ে যেতে চাইলে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাধা প্রদান করে এবং উল্টো বিলের কাগজ হাতে ধরিয়ে দেয় কোন প্রকার চিকিৎসা ছাড়া! ফলে শিশুটির মায়ের কোলেই মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটে বলে জানাযায়।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে প্রকাশ করেছেন , চট্টগ্রামে রয়েল হাসপাতাল নামে একটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের অবহেলায় তৃষা দে নামে দেড় মাস বয়সী এক শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। মৃত শিশুটির বাবা জানান, ঠাণ্ডাজনিত সমস্যা নিয়ে গত সোমবার সকালে শিশুটিকে রয়েল হাসপাতালে আনা হয়। রয়েল হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের চাপিয়ে দেওয়া বিল পরিশোধ ছাড়া শিশুটিকে অন্য হাসপাতালে নিতে দিচ্ছিল না দায়িত্বরত কর্মকর্তারা। শিশুটির পরিবারের সদস্যদের সাথে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের একপর্যায়ে মায়ের কোলেই তৃষা দে মারা যায়।এই অমানবিক ও ন্যক্কারজনক কর্মকাণ্ডের জন্য ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন শিশুটির অভিভাবক এই বিষয়ে বিভিন্ন সচেতন মহল বলেন এই ধরনের অনেক হাসপাতাল চট্টগ্রাম জেলার সিটি এলাকা সহ বিভিন্ন উপজেলা গুলোতে চড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। এমন কি এই রকম অনেক হাসপাতালে রুগীদের জন্য নেই কোন অত্যাধুনিক যন্ত্রপাতি ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত নার্স ও অভিজ্ঞ ডাক্তার অথচ কোন রুগী এই হাসপাতাল গুলোতে গেলে বিভিন্ন তালবাহানা করে রুগীদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা আদায় করে যাচ্ছেন। শুধু তাই বর্তমানে আরও একটা পলিসি অবলম্বন করছেন হাসপাতাল গুলো যেমন আপনি যদি এই হাসপাতাল গুলোর পরিচালকদের পরিচিত হয়ে থাকেন তবে এমন ভাবে বিল করবে যে বিল থেকে তারা হাজার দুয়েক টাকা কমালেও তাদের গায়ে লাগবে না এতে করে তারা মানুষের বাহবা পাই আর তাদের ব্যবসার ও লাভবান হয় । আর যদি আপনি এমন ব্যাক্তী বিশেষ হয়ে থাকেন যে আপনাকে তাদের ফ্রী চিকিৎসা করতে হবে আর সেই ক্ষেত্রে হাসপাতালের ডাক্তার কি করে জানেন আপনার কঠিন রোগ হয়েছে বলে যার চিকিৎসা তাদের কাছে নাই। যার জন্য অন্য হাসপাতালে রেফার্ড করে দে আপনাকে , আর যেই হাসপাতাল থেকে তারা কমিশন পাই সেই হাসপাতালে পাঠাবে । আর এই রকম ঘটনার শিকার উক্ত প্রতিনিধি কামরুল তার ক্ষেত্রে ও এই রকম হয়েছে যেমন কিছু দিন পূর্বে কামরুল বিষম অসুস্থ হয়ে পড়লে থাকে জৈনক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে কামরুল কে কিছু রক্ত পরিক্ষা দিতে বলে আর পরিক্ষার রিপোর্ট হাতে নিয়ে বলে কামরুলের নাকি করোনা ভাইরাস সংক্রমণের লক্ষণ পাওয়া গেছে থাকে চট্টগ্রাম শহরে নিয়ে যেতে হবে তার পর কামরুলের পরিবার আলাপ আলোচনা করে লোহাগাড়া আধুনিক হাসপাতালের ডাক্তার মোশাররফ হোসেনের কাছে নিয়ে গেলে ডাক্তার মোশাররফ হোসেন কামরুলের চিকিৎসা করে। এবং একদিন পর কামরুল সুস্থ হয়ে উঠে এখন কথা হচ্ছে কামরুল যদি সত্যি করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত হয় তাহলে একদিনের মধ্যে কেমন করে সুস্থ হয় কামরুল। কিন্তু এইখানে কথা হচ্ছে কামরুল কোন করোনা ভাইরাস সংক্রমণে আক্রান্ত ছিলনা তার কাছে মোটা অংকের টাকা আদায় করতে পারবেনা বলেই এই হাসপাতালের মহা পরিচালকের পরামর্শ মোতাবেক কামরুল কে ডাক্তার শহরে রেফার্ড করেছিলেন আর যদি কামরুলের পরিবার ডাক্তারের ভুয়া কথায় শহরে নিয়ে যেত তবে কামরুলের পরিবার হয়রানির শিকার হত। অন্যদিকে টাকা খরচ হইত বেশি তাই এই ধরনের হাসপাতাল নামের যেই সকল কসাইখানা রয়েছে এই কসাইখানা গুলোর বিরুদ্ধে অবিলম্বে তদন্ত সাপেক্ষে আইনের আওতায় আনার জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা ও মাননীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী সহ চট্টগ্রাম জেলা সিভিল সার্জন ও স্থানীয় প্রশাসনের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি যেন আইন গত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। লেখক সাংবাদিক মোঃজয় সরকার,

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা