1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
খুলনায় হঠাৎ করে বেড়েছে জ্বর, সর্দি, কাশি - খোলা নিউজ বিডি ২৪
সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০২৩, ০১:৩২ অপরাহ্ন
সোমবার, ০২ অক্টোবর ২০২৩, ০১:৩২ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
লালপুরের বিলমাড়িয়াতে লেঃ কর্নেল রমজানের উঠান বৈঠক ও শান্তি সমাবেশ রাজশাহী পুঠিয়ার ইউনিয়ন ভূমি অফিসগুলো যেনো ঘুষের স্বর্গ রাজ্য, ছাড় পায় না ভিক্ষুকও লালপুরে বালু বোঝাইকৃত ট্রাক ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১,আহত-৩ কাশিমপুরের ভবানীপুর দারুস সুফফা মাদ্রাসার পুরস্কার বিতরণ ও সবক প্রদান অনুস্ঠান অনুস্ঠিত লালপুরের বিলমাড়িয়াতে লেঃ কর্নেল রমজানের উঠান বৈঠক ও শান্তি সমাবেশ জমি নিয়ে বিরোধে গোলাগুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার-৬ আশুলিয়ায় নলাম যুব সংঘের উদ্যোগে ৪ দলীয় ফুটবল টুর্নামেন্ট এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত কাশিমপুরে শিশু অপহরণের ৮ দিন পেরিয়ে গেলেও নেই উদ্ধার তৎপরতা ও খোঁজ! মেঘনায় জলদস্যুদের গুলিতে আহত আরেক জেলের মৃত্যু গাজীপুর সদর-১ আসনে মোজাম্মেল হক এমপি’র নির্বাচনী মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত

খুলনায় হঠাৎ করে বেড়েছে জ্বর, সর্দি, কাশি

প্রশাসন
  • সময় : রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ২৪১ বার পঠিত

এসকে এম হুমায়ুন স্টাফ রিপোর্টার।।

খুলনায় হঠাৎ করে বেড়েছে ঠান্ডা জনিত রোগীর সংখ্যা। প্রায় প্রতিটি ঘরে, ঘরে এখন রোগী পাওয়া যাচ্ছে, চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতেও জ্বর, সর্দি, কাশি, গায়ে-হাতে ব্যথা নিয়ে রোগীরা আসছেন।

পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অধিকাংশই ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জায় ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। শিশুরা বেশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানান বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শিশু ও গর্ভবতী মা’সহ সব বয়সিকে কাবু করছে ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জা। কখনও রোদ কখনও বৃষ্টি এ ধরণের আবহাওয়ার কারণে বাড়ছে সর্দি-কাশির সঙ্গে জ্বরের প্রকোপ। এছাড়াও ঘরে-বাইরে অনেকেই খুকখুক করে কাশছে। কেউবা নাক টানছে। দিনের তাপমাত্রা বড়লে গভীর রাত কিংবা ভোরের দিকে বেশ ঠান্ডা পড়ে। রাতে ঘুমের মধ্যে আলসেমি করে গায়ে চাদড় দেওয়া এবং ফ্যান বা এসি না কমানোর কারণে ঠান্ডা লেগে যায়। সব মিলিয়ে এ আবহাওয়া মানুষকে ঠান্ডা জনিত রোগে অনেকটা কাবু করে ফেলছে। এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ ফয়সাল আবেদীন জানান, জ্বর-সর্দি-কাশির তীব্রতা থাকছে চার থেকে ১০ দিন। জ্বর সেরে গেলেও শুকনো কাশি ও দুর্বলতায় ভুগছেন অনেকে। অন্যান্য ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই এ ক্ষেত্রেও একসঙ্গে পরিবারের একাধিক সদস্য জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছেন। অনেকের গলাব্যথাও হচ্ছে। তাই রোগটি না কমা পর্যন্ত নিজেকে আলাদা করে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘরে ও বাইরে অবশ্যই মাস্ক পরার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন এ চিকিৎসক। তিনি আরো বলেন এক মাস ধরে জ্বর-সর্দি-কাশির উপসর্গ নিয়ে প্রচুর রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। কেউ আবার বাসায় বসে ঘরোয়া চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে এ উপসর্গগুলো ব্যাপক হারে দেখা দিচ্ছে। শুধু শিশু নয়, গর্ভবতী মা’সহ সব বয়সি এতে কাবু হচ্ছেন। ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে করোনা-ডেঙ্গু ও ফুসফুসের রোগীদের অবস্থা জটিল হতে পারে। এসব রোগীর বুকের এক্সরে-সিটি স্ক্যান দেখে করোনার মতো মনে হলেও পরে দেখা যাচ্ছে তারা ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত। এখন হাসপাতালের আউটডোরে বেশির ভাগ শিশুদের জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে আসছেন অভিভাবকরা। হাঁচি-কাশির সঙ্গে শরীরে তীব্র ব্যথাও হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসার সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি, ফলমূল, শাক-সবজি খেতে হবে। নিজে থেকে কোনও ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া একেবারেই ঠিক হবে না। ডাঃ আলাউদ্দিন সিকদার বলেন শিশুদের জ্বর-কাশি, হাঁচি-সর্দি বেশি হচ্ছে। তবে সব বয়সির মধ্যেই এ উপসর্গগুলো দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের উপসর্গ নিয়ে আসা অনেক শিশুর ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে। এছাড়া অনেক রোগী ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে আসছেন। তবে এটা নিয়ে ভয়ের তেমন কোনও কারণ নেই । এ সময়ে বিশেষ করে শূন্য থেকে দেড়-দুই বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে উপসর্গগুলো বেশি দেখা দিচ্ছে। তবে যেসব শিশু মায়ের দুধ খায় তাদের খুব বেশি কাবু করতে পারে না। অনেক শিশু চার-পাঁচ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে বুকের ভেতর এক ধরনের গিলাতলায় হঠাৎ করে বেড়েছে ঠা-াজনিত রোগীর সংখ্যা। প্রায় প্রতিটি ঘরে, ঘরে এখন রোগী পাওয়া যাচ্ছে, চিকিৎসা কেন্দ্রগুলোতেও জ্বর, সর্দি, কাশি, গায়ে-হাতে ব্যথা নিয়ে রোগীরা আসছেন। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অধিকাংশই ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জায় ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত। শিশুরা বেশি নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানান বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসকরা। শিশু ও গর্ভবতী মা’সহ সব বয়সিকে কাবু করছে ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জা। কখনও রোদ কখনও বৃষ্টি এ ধরণের আবহাওয়ার কারণে বাড়ছে সর্দি-কাশির সঙ্গে জ্বরের প্রকোপ। এছাড়াও ঘরে-বাইরে অনেকেই খুকখুক করে কাশছে। কেউবা নাক টানছে। দিনের তাপমাত্রা বাড়লে-কমলেও গভীর রাত কিংবা ভোরের দিকে বেশ ঠা-া পড়ে। রাতে ঘুমের মধ্যে আলসেমি করে গায়ে চাদড় দেওয়া এবং ফ্যান বা এসি না কমানোর কারণে ঠা-া লেগে যায়। সব মিলিয়ে এ আবহাওয়া মানুষকে ঠা-াজনিত রোগে অনেকটা কাবু করে ফেলছে। এ প্রসঙ্গে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডাঃ ফয়সাল আবেদীন জানান, জ্বর-সর্দি-কাশির তীব্রতা থাকছে চার থেকে ১০ দিন। জ্বর সেরে গেলেও শুকনো কাশি ও দুর্বলতায় ভুগছেন অনেকে। অন্যান্য ইনফ্লুয়েঞ্জার মতোই এ ক্ষেত্রেও একসঙ্গে পরিবারের একাধিক সদস্য জ্বর-সর্দি-কাশিতে ভুগছেন। অনেকের গলাব্যথাও হচ্ছে। তাই রোগটি না কমা পর্যন্ত নিজেকে আলাদা করে অন্তত ৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন তিনি। একই সঙ্গে ঘরে ও বাইরে অবশ্যই মাস্ক পরার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেন এ চিকিৎসক। তিনি আরো বলেন এক মাস ধরে জ্বর-সর্দি-কাশির উপসর্গ নিয়ে প্রচুর রোগী চিকিৎসা নিতে আসছেন। কেউ আবার বাসায় বসে ঘরোয়া চিকিৎসা নিচ্ছেন। ঋতু পরিবর্তনের সঙ্গে এ উপসর্গগুলো ব্যাপক হারে দেখা দিচ্ছে। শুধু শিশু নয়, গর্ভবতী মা’সহ সব বয়সি এতে কাবু হচ্ছেন। ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জার কারণে করোনা-ডেঙ্গু ও ফুসফুসের রোগীদের অবস্থা জটিল হতে পারে। এসব রোগীর বুকের এক্সরে-সিটি স্ক্যান দেখে করোনার মতো মনে হলেও পরে দেখা যাচ্ছে তারা ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জায় আক্রান্ত। এখন হাসপাতালের আউটডোরে বেশির ভাগ শিশুদের জ্বর-সর্দি-কাশি নিয়ে আসছেন অভিভাবকরা। হাঁচি-কাশির সঙ্গে শরীরে তীব্র ব্যথাও হচ্ছে।তিনি আরও বলেন, এক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসার সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি, ফলমূল, শাক-সবজি খেতে হবে। নিজে থেকে কোনও ওষুধ বা অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া একেবারেই ঠিক হবে না। ডাঃ আলাউদ্দিন সিকদার বলেন শিশুদের জ্বর-কাশি, হাঁচি-সর্দি বেশি হচ্ছে। তবে সব বয়সির মধ্যেই এ উপসর্গগুলো দেখা যাচ্ছে। এ ধরনের উপসর্গ নিয়ে আসা অনেক শিশুর ডেঙ্গু শনাক্ত হচ্ছে। এছাড়া অনেক রোগী ভাইরাল ইনফ্লুয়েঞ্জা নিয়ে আসছেন। তবে এটা নিয়ে ভয়ের তেমন কোনও কারণ নেই । এ সময়ে বিশেষ করে শূন্য থেকে দেড়-দুই বছর বয়সি শিশুদের মধ্যে উপসর্গগুলো বেশি দেখা দিচ্ছে। তবে যেসব শিশু মায়ের দুধ খায় তাদের খুব বেশি কাবু করতে পারে না। অনেক শিশু চার-পাঁচ দিনের মধ্যে সুস্থ হয়ে ওঠে। তবে বুকের ভেতর এক ধরনের কোনও ধরণের আওয়াজ হলে ও অক্সিজেন কমে গেলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। প্রয়োজনে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার ও পরামর্শ দেন এ চিকিৎসক আওয়াজ হলে ও অক্স।

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা