1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
খায়রুজ্জামান লিটন টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন! - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:১৭ অপরাহ্ন
বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০১:১৭ অপরাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
মসিকের উদ্যোগে জাতীয় স্থানীয় সরকার দিবস উদযাপিত সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত ধামইরহাটে যুবলীগের সদস্য সংগ্রহ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন জামালপুরে দুর্যোগ প্রস্তুতি বিষয়ক আলোচনা সভা পটুয়াখালীতে আংশিক কমিটি দিয়েই চলছে জেলা যুবলীগ গৌরীপুরে দু’ভবনের প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধন ফলক পড়ে আছে হোটেলের ফ্লোরে বিপিএম পদক পেলেন জয়পুরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ নূরে আলম শেরপুর জেলায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালিত হয় নড়াইলের লোহাগড়ায় ৪ বছরের শিশুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগে সৎ মা পুলিশ হেফাজতে পাঁচবিবিতে মহিলা আওয়ামীলীগের ৫৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

খায়রুজ্জামান লিটন টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেছেন!

প্রশাসন
  • সময় : বুধবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ২৪২ বার পঠিত

নিউজ ডেস্ক; এস আর টুটুল এম এল- খোলা নিউজ বিডি-২৪

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত প্রেসিডিয়াম সদস্য, রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সিটি কর্পোরেশন মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান (লিটন) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থল টুঙ্গিপাড়ায় বিজয়ের মাসের প্রথম প্রভাতে বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন।

এসময় তাঁর সাথে ছিলেন, তানোর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি জননেতা গোলাম রাব্বানী ও সাধারণ সম্পাদক জননেতা আবদুল্লাহ আল মামুনসহ, রাজশাহী মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীবৃন্দ।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদনের পর। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত প্রেসিডিয়াম সদস্য ও রাজশাহী মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন মেয়র এ এইচ এম খায়রুজ্জামান (লিটন) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থলে শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করে, মহান মুক্তিযুদ্ধের সৃতিচারন করে বলেন; আজ পহেলা ডিসেম্বর-শুরু হলো মহান বিজয়ের মাস।
বাংলাদেশের সুদীর্ঘ রাজনৈতিক ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ ঘটনা হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ। বাঙালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে সশস্ত্র স্বাধীনতা সংগ্রামের এক ঐতিহাসিক ঘটনার মধ্য দিয়ে বাঙালি জাতির হাজার বছরের সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বপ্ন পূরণ হয় এ মাসেই। বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন মুক্তিযুদ্ধের অবিস্মরণীয় গৌরবদীপ্ত চূড়ান্ত বিজয় আসে ১৬ ডিসেম্বর, বিশ্বের মানচিত্রে জন্ম নেয় স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ।
পাকিস্তানকে পর্যুদস্ত করে অর্জিত এ বিজয় আনন্দ ও গৌরবের। একই সঙ্গে প্রিয়জন হারানো শোকেরও মাস।

১৯৭১ সালের ৭ মার্চ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীন রেসকোর্স ময়দানে (বর্তমান সোহরাওয়ার্দী উদ্যান) তেজোদীপ্ত বজ্রকন্ঠে ডাক দিয়েছিলেন।
(এবারের সংগ্রাম’ আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম’ স্বাধীনতার সংগ্রাম)’ ঐতিহাসিক সেই ভাষণে উদ্দীপ্ত বাঙালি জাতি সেদিন দৃঢ় শপথ নিয়েছিলেন স্বাধীনতা অর্জনের, ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন মহান মুক্তিযুদ্ধে।

২৫ মার্চের নির্মম নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর তারা রুখে দাঁড়িয়েছিল শোষণের বিরুদ্ধে। এক সাগর রক্ত, ৩০ লাখ প্রাণ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে বীর বাঙালি বিজয় ছিনিয়ে এনেছিল ১৬ ডিসেম্বর। তবে এ মাসের প্রতিটি দিনই ছিল ঘটনাবহুল। স্বাধীনতাকামী বাঙালির হৃদয়ে বৈজয়ন্তী উড়িয়ে এসেছিল সেই সোনাঝরা গৌরবের দিনগুলো।
১৯৭১ সালের ডিসেম্বরের শুরু থেকেই বাঙালি বীর সন্তানদের সঙ্গে যুদ্ধে একের পর এক পরাজিত হতে থাকে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী। মুক্তিযোদ্ধাদের গেরিলা আক্রমণ আর ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনীর জল, স্থল ও আকাশপথে সাঁড়াশি অভিযানের মুখে ক্রমাগত পরাজিত হতে থাকে তারা, হয়ে পড়ে দিশেহারা।

১৯৭১ সালের ১ ডিসেম্বর যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত নিউইয়র্ক টাইমসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ভেতরে গেরিলা আক্রমণ অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় পাকিস্তানের সামরিক বাহিনীর পদস্থ কর্মকর্তাদের নির্দেশে সেনাবাহিনী আরও ভয়াবহভাবে নিরীহ জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। বুড়িগঙ্গা নদীর অপর পারে জিঞ্জিরায় সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে একদিনেই হত্যা করা হয় ৮৭ জনকে। বাঙালির জন্মভূমি শত্রুমুক্ত করার লড়াইকে আড়ালে রাখতে পাক-ভারত যুদ্ধ শুরু হয়েছে বলে বেতারে ঘোষণা দেন প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খান। কিন্তু সেদিন তাদের কোনো ষড়যন্ত্রই বাঙালিকে বিজয় অর্জন থেকে পিছিয়ে দিতে পারেনি। মাতৃভূমিকে হানাদারমুক্ত করতে তারা মরণপণ লড়াই চালিয়ে যান।

প্রাণ বাঁচাতে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী বীর বাঙালির কাছে আত্মসমর্পণের পথ খুঁজতে থাকে। বাংলাদেশ দ্রুত মুক্তিযুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের দিকে এগিয়ে যায়। একপর্যায়ে সেই রেসকোর্স ময়দানেই পাকিস্তানি বাহিনী নতি স্বীকারে বাধ্য হয়। রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পথ বেয়ে আসে পরম কাঙ্খিত বিজয়।
ত্রিশ লাখ শহিদ আর দুই লাখ মা-বোনের সম্ভ্রমহানির বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার সাক্ষর এবারের বিজয়ের মাস’ নানা অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে পালিত হবে। মাসব্যাপী উৎসাহ-উদ্দীপনায় এবং নানা কর্মসূচির মাধ্যমে বিজয়ের ৫০ বছর উদযাপন করবেন দেশের মানুষ।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা