নিউজ ডেস্ক; এস আর টুটুল এম এল!
তানোর উপজেলা নির্বাচন অফিস সুত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার (২৭- অক্টোবর) তানোরে ৪ জন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও ১৩ জন ওয়ার্ড সদস্য মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছেন।
আজ বুধবার (২৭- অক্টোবর( মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষের দিনে কলমা ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রেজাউল ইসলাম ও আঃ মালেক, কামারগাঁ ইউপি চেয়ারম্যান পদ প্রার্থী জাইদুর রহমান এবং পাঁচন্দর ইউপি চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সাদেকুল ইসলাম মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।
এদিকে কামারগাঁ ইউপিতে উপজেলা আ’লীগের ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক বর্তমান চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মটোর সাইকেল প্রতীকে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন। কিন্তু এখানে আ’লীগ মনোনীত নতুন মুখ অত্র ইউনিয়ন আ’লীগের সভাপতি ফজলে রাব্বী ফরহাদও বৈধ প্রার্থী। তবে, অত্র ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি খলিলুর রহমান ও উপজেলা যুবদলের অন্যতম সদস্য আলমগীর হোসেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে বৈধ প্রার্থী রয়েছেন।
স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, আসন্ন কাঁমারগা ইউপি নির্বাচনে প্রতিষ্ঠিত, কর্মী জনবান্ধব, অপ্রতিদন্দী ও পরীক্ষিত নেতৃত্ব সাবেক চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিন প্রামানিককে বঞ্চিত করে দুর্বল নেতৃত্ব ফজলে রাব্বী ফরহাদকে নৌকার মনোনয়ন দেয়ায় তৃণমুলের নেতা এবং কর্মী- সমর্থকদের মাঝে মিশ্রো প্রতিক্রিয়া ক্ষোভ ও অসন্তোষের সুত্রপাত ঘটেছে, বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেছে।
এদিকে উন্নয়নের ধারা অব্যহত রেখে অসমাপ্ত কাজ সম্পন্ন করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে আরো একবার সুযোগ চেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছেন জনন্দিত চেয়ারম্যান মসলেম উদ্দিন প্রামানিক। সাধারণ ভোটারদের অভিমত, কামারগাঁ ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান মোসলেম উদ্দিনের কোন বিকল্প নাই। তিনি পর পর দুইবার বিপুল ভোটের ব্যবধানে ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে দায়িত্বপালন করছেন।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লষক মহলের অভিমত, ৩৬৫ দিনে এক বছর, তাহলে ১০ বছরে ৩ হাজার ৬৫০ দিন। ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যদি প্রতিদিন ৩ জন মানুষের উপকার করে থাকেন, তাহলে ১০ বছরে তার কাছে থেকে ১০ হাজার ৯৫০ জন মানুষ উপকৃত হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো এই মানুগুলো কি তার উপকারের প্রতিদান হিসেবে একটি করে ভোট তাকে দিবে না? যদি দেন তাহলে তো তার ১০ হাজার ৯৫০টি ভোট ব্যাংক রয়েছে। ইউনিয়নের লোক সংখ্যা প্রায় ৫৫ হাজার, আর ভোটার সংখ্যা ২১ হাজার ৯৬২ জন। সেই হিসেবে চেয়ারম্যান মসলেমের ভোট ব্যাংকে প্রায় অর্ধেক ভোট রয়েছে এসব ভোট পেলেই তিনি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হবেন। তাছাড়া এটি তো সরকার পরিবর্তনের নির্বাচন নয় তাই ভোটারদের কাছে প্রতিকের তেমন কোনো গুরুত্ব নেই, তারা গুরুত্ব দেয় প্রার্থীর আচরণ, আর্থিক স্বচ্ছলতা, উন্নয়ন মানসিকতা ইত্যাদি। এছাড়াও ইউপি চেয়ারম্যান একটি অলাভজনক পদ, এখানে দায়িত্বপালন করতে গেলে প্রার্থীকে অবশ্যই আর্থিকভাবে স্বচ্ছল হতে হবে। আর্থিকভাবে দুর্বল কোনো প্রার্থী চেয়ারম্যান হলে সে প্রকল্পের টাকায় ভাগ বসাবে এতে এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হবে, আর সেটি হলে সরকারের ভাবমুর্তিও ক্ষুন্ন হবে। অধিকাংশক্ষেত্রে স্থানীয় নির্বাচনে ভোটারগণ এসব বিচার-বিশ্লেষণ করেই ভোট প্রয়োগ করেন।