1. admin@kholanewsbd24.com : admin :
আজ অভয়নগর মুক্ত দিবসের ৫০ বছর - খোলা নিউজ বিডি ২৪    
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
শিবচরে দয়াল বাবা হালিম ফকির(রহ্) এবং মজিদ ফকির এর বাৎসরিক উরসে ভক্তদের ঢল বেলকুচিতে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবস উদযাপন নড়াইলে কুড়ির ডোপ মাঠে সূর্যাস্তের সঙ্গে সঙ্গে লাখো প্রদীপ জ্বালিয়ে ভাষা শহীদদের স্মরণ পাঁচবিবিতে চাঞ্চল্যকর আবু হাসান হত্যা মামলার পলাতক আসামী আমিনা বেগম গ্রেফতার পাঁচবিবিতে ধর্ষণ মামলার পলাতক আসামী গ্রেফতার পাঁচবিবিতে যথাযোগ্য মর্যদায় শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ধামইরহাটে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত পাঁচবিবির বুড়াবুড়ির মাজারে ২৫ তম বাৎসরিক ওয়াজ মাহফিলের প্রস্তুতি সভা নড়াইল পুলিশ লাইনস্ স্কুলে শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন পাঁচবিবিতে ঘরবাড়ি ছাড়া ১৭বছর যাবত রেল স্টেশনে থাকেন- আবুল কালাম

আজ অভয়নগর মুক্ত দিবসের ৫০ বছর

প্রশাসন
  • সময় : বৃহস্পতিবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২১
  • ১১৭ বার পঠিত

যশোর জেলা প্রতিনিধি (আশরাফুল ইসলাম বাবু)

যশোরের অভয়নগর মুক্ত দিবসের ৫০ বছর আজ। ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর পাক বাহিনীর নির্যাতন থেকে মুক্তি পেয়েছিল উপজেলার লাখো মানুষ। ২৪ ঘন্টার সম্মুখ যুদ্ধে হানাদার মুক্ত হয়েছিল অভয়নগরের মাটি ও মানুষ।

উড়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা। এরপর থেকে প্রতি বছর ৯ ডিসেম্বর অভয়নগর মুক্ত দিবস হিসেবে উদযাপন করে আসছে অভয়নগরবাসী।

অভয়নগর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের আহবায়ক আলী আহম্মেদ খান অভয়নগর মুক্ত করার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, পাক বাহিনীর অত্যাচার থেকে অভয়নগর মুক্ত করার উদ্দেশ্যে মুক্তিযোদ্ধারা তিনটি দলে বিভিক্ত হয়ে গেরিলা প্রশিক্ষণ নিতে ভারতে চলে যান।

প্রশিক্ষণ শেষে দেশে ফিরে নড়াইল জেলার খড়লিয়া গ্রামে শ্যাম দারোগার বাড়ীতে অবস্থান করেন। মুক্তিযোদ্ধাদের হত্যা করার উদ্দেশ্যে সেখান আক্রমণ করে পাক বাহিনী। খবর পেয়ে ফুলতলা, কালিয়া ও নড়াইল থানা এলাকার মুক্তিযোদ্ধার পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। এরপর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধারা অভয়নগরের বিভিন্ন গ্রামে গিয়ে গ্রামবাসীকে সংবদ্ধ করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মুক্তি বাহিনী গঠন করেন। ৬ ডিসেম্বর যশোর শহর ও যশোর ক্যান্টনমেন্ট হানাদার মুক্ত হওয়ার পর ৭ ডিসেম্বর ভোরে পাক বাহিনী অভয়নগরে চলে আসে। তারা যশোর-খুলনা মহাসড়ক সংলগ্ন তিনটি জুট মিলে (জেজেআই, কার্পেটিং ও পূর্বাচল) ক্যাম্প স্থাপন করে।

৮ ডিসেম্বর সকালে তারা নওয়াপাড়া রেল স্টেশন এলাকায় বোমা বিষ্ফোরণ ও গুলি চালিয়ে অসংখ্য নারী, পুরুষ, শিশু ও বৃদ্ধকে হত্যা করে একটি গর্তে পুতে রাখে।

অভয়নগর মুক্ত করার টার্গেটে ৮ ডিসেম্বর ভোরে নড়াইল জেলার শ্যাম দারোগার বাড়ী থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার কয়েকটি দলে ভাগ হয়ে অভয়নগরে চলে আসেন। এবং স্থানীয় মুক্তি বাহিনীর সদস্যদের সংবদ্ধ করতে শুরু করেন। এদিন সন্ধ্যায় উপজেলার রাজঘাট এলাকায় জেজেআই জুট মিলে থাকা পাক বাহিনীর সঙ্গে শুরু হয় সম্মুখ যুদ্ধ। খবর পেয়ে অন্য দুই জুট মিলে থাকা পাক বাহিনী চলে আসে রাজঘাটে।
যুদ্ধ চলাকালিন সময় মধ্যরাতে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে মেজর জলিলের নেতৃত্বে মিত্র ও মুক্তি বাহিনীর একটি সাজোয়া দল যোগদান করেন।

৯ ডিসেম্বর সকালে ত্রিমুখি আক্রমে পাক বাহিনী পরাজয় নিশ্চিত ভেবে খুলনা জেলার ফুলতলা উপজেলা ও শিরোমণি এলাকায় পালিয়ে যায়। হানাদার মুক্ত হয় অভয়নগর।

জয় বাংলা শ্লোগানে প্রকম্পিত হতে থাকে রাজপথ। অভয়নগরের মাটিতে স্বাধীন বাংলাদেশের লাল-সবুজের পতাকা উত্তোলন করেন মুক্তিযোদ্ধরা।

তিনি আরো বলেন, নওয়াপাড়া রেল স্টেশন সংলগ্ন সেই গণকবর আজও কালের স্বাক্ষী হয়ে রয়েছে। ২০০৯ সালে নওয়াপাড়া পৌরসভার তৎকালিন মেয়র বর্তমান অভয়নগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব এনামুল হক বাবুল গণকবর সংরক্ষণ ও কবরের সঙ্গে লাল রঙের একটি স্মৃতিসৌধ নির্মাণ করেন। এরপর থেকে ৯ ডিসেম্বর অভয়নগর মুক্ত দিবসসহ ১৬ ডিসেম্বর ও ২৬ মার্চ আসলে অভয়নগরবাসী গণকবরসহ স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন পূর্বক শহীদদের স্মরণ করে থাকেন।

Please Share This Post in Your Social Media

এ জাতীয় আরও খবর

ফেসবুকে আমরা